Aaj India desk, কলকাতা: অন্নপূর্ণা ভান্ডারের (Annapurna Bhandar) ১২ পাতার ফর্ম দেখে চমকে উঠেছিলেন অনেকেই।যেখানে বাড়ির দলিল থেকে সন্তানের টিকাকরণসহ একাধিক তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। সরকারের তরফ থেকে বলা হয় লক্ষ্মীর ভান্ডারের তালিকায় অনেক পুরুষ রয়েছেন। তাঁদের তালিকা থেকে সরানো এবং দুর্নীতি মুক্তভাবে যোগ্যদের কাছে সরকারি সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এই ১২ পাতার ফর্ম। কিন্তু তার পরেও পুরোনো রোগ সারল না।
কি হয়েছে ?
ভীমপুর থানার চাঁদপুর এলাকার বাসিন্দা পেশায় চিকিৎসক সঞ্জিত বিশ্বাস বার্ধক্য ভাতা পান। ফোনে হঠাৎই ব্যাঙ্ক থেকে টাকা ক্রেডিটের একটি মেসেজ আসে।সেই টাকা তুলতে ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্টে বার্ধক্য ভাতার পাশাপাশি অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Bhandar) ৩ হাজার টাকা জমা হয়েছে।সঞ্জিত বিশ্বাস বলেন, “আমি বৃদ্ধভাতার টাকা তুলতে গিয়েছিলাম। তখন জানতে পারি আমার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা এসেছে। আমি বুঝতে পারছি না এই টাকা কীভাবে এল। তাই ওই টাকা আমি তুলি নি। শুধু আমার প্রাপ্য বৃদ্ধভাতার টাকাই তুলেছি।” তবে তিনি আরও বলেছেন,”এই বিষয়টি আমি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে জানাব। যদি এই টাকা ভুলবশত অ্যাকাউন্টে এসে থাকে, তবে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য বলব।”
কিভাবে হল এই ভুল?
গত ১ লা জুন থেকে শুরু হয়েছে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের (Annapurna Bhandar) ফর্ম পূরণ। যাদের লক্ষ্মীর ভান্ডার ছিল প্রথম দফায় তাঁদেরকেই ফর্ম পূরণ করতে হয়েছে। প্রথম দুদিন যারা ফর্ম পূরণ করেছেন তাঁদের একাউন্টে টাকা ইতিমধ্যে ঢুকে গেছে। সেখানেই কোনোভাবে তথ্য ‘ আপডেট ‘ করতে ভুল হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঘটনাটি জানাজানি হতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে গেছে। সরকারি প্রকল্পের নিয়মে যেখানে স্পষ্ট বলা রয়েছে এই সুবিধা শুধুমাত্র মহিলারাই পাবেন, সেখানে একজন পুরুষের অ্যাকাউন্টে এই অর্থ পাঠানো হল। এর পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।


