Aaj India Desk,কলকাতা: বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায় সূচনা হলো শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে ,আজ শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়েই কার্যত বাংলা দায়িত্ব তুলে নিলেন নব মুখ্যমন্ত্রী।
দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েন, তীব্র নির্বাচনী লড়াই এবং পালাবদলের আবহের পর রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। আর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের পরেই আবেগঘন বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারীর মা।
ছেলে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই তিনি জানান ক্ষমতায় এসেই শুভেন্দুর সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বিশেষ করে তিনি অভয়া-র বিচারের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, রাজ্যের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। সেই বিচার দ্রুত এবং নিরপেক্ষভাবে হওয়া প্রয়োজন বলেই মত তাঁর। তাঁর কথায়, “মানুষের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতেই হবে, শুধু অভয়া নয় অভয়ার মতই যারা আজও বিচারাধীন তাদেরও বিচারের সুব্যবস্থা করতে হবে, এমনটাই বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মা ।
শুধু বিচার নয়, রাজ্যের বেকারত্ব পরিস্থিতি নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শুভেন্দুর মা। তিনি বলেন, অসংখ্য শিক্ষিত যুবক-যুবতী কাজের অভাবে হতাশ হয়ে পড়ছেন। তাই নতুন সরকারের প্রথম কাজ হওয়া উচিত কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো।
রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন, এই বক্তব্য কার্যত নতুন সরকারের সামনে মানুষের মূল চাহিদাগুলোকেই তুলে ধরেছে আইনশৃঙ্খলা, স্বচ্ছ প্রশাসন, কর্মসংস্থান এবং দ্রুত বিচার। বিশেষ করে অভয়া-র প্রসঙ্গ সামনে আসায় বিষয়টি আরও আবেগঘন হয়ে উঠেছে। কারণ এই ইস্যু নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও আন্দোলনের আবহ তৈরি হয়েছিল আবার গণনার পরবর্তীকালে অনেকে বলছে বিচারের আশাতে বিজেপির আগমন।
তবে বিতর্ক এবং রাজনৈতিক ব্যাখ্যার বাইরে গিয়ে অনেকেই বলছেন, একজন মা হিসেবে শুভেন্দুর মায়ের এই বক্তব্য কার্যত সাধারন মানুষের জন্যই । এখন দেখার, বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী কত দ্রুত সেই প্রত্যাশা পূরণে পদক্ষেপ করেন এবং রাজ্যের মানুষকে কতটা আশ্বস্ত করতে পারেন।


