কলকাতা: শিশুসন্তানের কথা বিবেচনা করে অদিতিকে (Aditi Munsi) অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে বুধবার তাঁর স্বামী তথা প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজের (Debraj Chakraborty) গ্রেফতারির পর ফের প্রশ্ন উঠছে এবার কি তবে অদিতির পালা? বৃহস্পতিবার অদিতিকে প্রায় ৬ ঘন্টা ম্যারাথন জেরা করলেন তদন্তকারীরা। সেইসঙ্গে তাঁদের একাধিক বাড়িতে তল্লাশি অভিযানও চালানো হয়।
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বেনামে এবং আত্মীয়-পরিচিতদের নামে হস্তান্তর করা, নির্বাচনী হলফনামায় সম্পত্তি কম দেখানো এমনকি অর্থপাচারের মত একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই দম্পতির বিরুদ্ধে। গ্রেফতারির পর দেবরাজের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট বা ইডি।
দেবরাজ চক্রবর্তীর (Debraj Chakraborty) বিপুল সম্পত্তির উৎস, বেনামি সম্পত্তির সম্ভাবনা এবং বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে ইডি। তাঁর নামে ও ঘনিষ্ঠদের নামে থাকা সম্পত্তির নথিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, দেবরাজের আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে অদিতি (Aditi Munsi) কতটা জানতেন, টা স্পষ্ট করতে এবার দুজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হবে, বলে সূত্রের খবর।
প্রসঙ্গত, এর আগে গ্রেফতারি এড়াতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অদিতি ও দেবরাজ (Debraj Chakraborty)। আদালত চার মাসের শিশুসন্তানের কথা বিবেচনা করে অদিতিকে (Aditi Munsi) অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিলেও তাঁর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং পাসপোর্ট জমা রাখার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি বাগুইআটি থানা এলাকায় প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। তবে দেবরাজ চক্রবর্তীর (Debraj Chakraborty) আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে তাঁকে তদন্তে সহযোগিতার নির্দেশ দেয় আদালত। সেই নির্দেশের পরই বুধবার রাতে পুরুলিয়া থেকে দেবরাজকে গ্রেফতার করে পুলিশ।


