28 C
Kolkata
Wednesday, August 12, 2026
spot_img

এক মিনিটের পার্কিংয়ে ৫০০ টাকার ফাইন? ট্রাফিক ব্যবস্থা ঘিরে অসন্তোষ রাজ্যে!

Aaj India Desk, কলকাতা : এক মিনিটের জন্য গাড়ি থামাতেই হঠাৎ মোবাইলে জরিমানার (Parking Fine) এসএমএস! কলকাতার সন্তোষপুরে ঠিক এমনই এক ঘটনার সাক্ষী হলেন এক এলাকাবাসী। সন্তোষপুরের মূল রাস্তায় গাড়ি পার্ক করে একটি দোকানে ঢোকার কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই একটি ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট গাড়ির ছবি তুলে চলে যান। এরপরই তাঁর মোবাইলে আসে ৫০০ টাকার জরিমানার এসএমএস। এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই সমাজ মাধ্যমে কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং পার্কিং সংক্রান্ত নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ।

তমাল সাহা নামক সেই ব্যক্তির দাবি, সন্তোষপুরের একটি মূল রাস্তার ধারে গাড়ি রেখে তিনি পাশের একটি দোকানে ঢুকেছিলেন। এক মিনিটও কাটেনি। দূর থেকে তিনি দেখতে পান, বাইকে থাকা এক সার্জেন্ট ধীরে ধীরে এসে গাড়িটির ছবি তুলে চলে যাচ্ছেন। অভিযোগকারীর দাবি, সার্জেন্ট গাড়িটি থামিয়ে চালক কোথায় বা কতক্ষণ গাড়িটি দাঁড়িয়ে রয়েছে, তা যাচাই করেননি। পরে তাঁর মোবাইলে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে ৫০০ টাকার জরিমানার (Parking Fine) এসএমএস আসে।

ঘটনাস্থলের ওই রাস্তার ধারের দোকানগুলি KMC অনুমোদিত বলেও দাবি করেছেন তিনি। সেখানে একটি এটিএমও রয়েছে বলে তাঁর বক্তব্য। তাঁর প্রশ্ন, ওই জায়গায় যদি পার্কিং নিষিদ্ধ হয়ে থাকে, তা হলে স্পষ্ট সাইনবোর্ড কেন থাকবে না? সামাজিক মাধ্যমে কলকাতা পুলিশ এবং কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন করেন, নাগরিকদের কোথায় গাড়ি রাখা যাবে না, তা স্পষ্টভাবে জানানো এবং প্রয়োজনীয় সাইনেজ বসানো উচিত। তাঁর বক্তব্য, কোনও চালান জারি করার আগে অন্তত গাড়িটি কতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল এবং সেখানে সত্যিই পার্কিং নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল কি না, তা যাচাই করা উচিত ছিল। ঘটনার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার CCTV ফুটেজ প্রকাশের দাবিও জানিয়েছেন। (Parking Fine)

তাঁর এই বক্তব্য সমাজ মাধ্যমে প্রকাশ পেতেই সাধারণ মানুষরাও এতে সমর্থন জানাতে শুরু করেন। তাঁদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই কলকাতায় এই ধরনের ‘র‌্যান্ডম চালান’ বেড়েছে। অথচ ছবি বা পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে নাগরিকদের ট্রাফিক বিভাগে আপত্তি জানানোর কোনো সুযোগ নেই বলে অভিযোগ করেন তারা। এই বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। তবে ট্রাফিক চালানে এমন অনিয়ম ঘিরে ক্রমশ বাড়ছে ক্ষোভ।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন