29 C
Kolkata
Tuesday, September 22, 2026
spot_img

সাংসদ পদ থাকবে তো? অভিষেকের অভিযোগের জবাব দিতে আরও সময় চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

Aaj India Desk, নয়াদিল্লি: একদিকে তৃণমূলের অভিযোগ, অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের পাল্টা আইনি প্রস্তুতি ২০ জন সাংসদকে ঘিরে দলত্যাগবিরোধী আইনের বিতর্ক ক্রমেই আরও জটিল হচ্ছে। লোকসভা সচিবালয়ের নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার মুখে ফের অতিরিক্ত সময় চেয়েছেন ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (NCPI)-র সঙ্গে যুক্ত ওই সাংসদরা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandyopadhyay), কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)-সহ মোট ২০ জন।

বিষয়টির সূত্রপাত বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর। তৃণমূলের টিকিটে লোকসভায় নির্বাচিত এই সাংসদদের একাংশ পরে NCPI-র সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা করেন। সংসদে পৃথক গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতির দাবিও তোলা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁদের সংসদীয় কার্যকলাপে NDA-র সঙ্গে দেখা যায়। এই অবস্থানকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবি ওঠে।

তৃণমূলের লোকসভা নেতা তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ১৮ জুন ২০ জনের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে দলত্যাগবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন। তাঁর বক্তব্যের মূল ভিত্তি ছিল, তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত হওয়ার পর অন্য রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া দলত্যাগবিরোধী আইনের আওতায় পড়তে পারে। অন্যদিকে, বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তাঁদের রাজনৈতিক পদক্ষেপকে বৈধ একীভূতকরণ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

এরপর ২৫ আগস্ট লোকসভা সচিবালয় সংশ্লিষ্ট সাংসদদের নোটিস পাঠায়। তাঁদের কাছে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানাতে বলা হয়। প্রথমে অল্প সময়ের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও পরে তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে সময় বাড়িয়ে ২২ সেপ্টেম্বর করা হয়।

এবার সেই সময়সীমার শেষ প্রান্তে এসে ফের সময় চাওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সাংসদদের বক্তব্য, তাঁদের বিরুদ্ধে জমা পড়া অভিযোগ এবং নথিগুলি খতিয়ে দেখে প্রতিটি বিষয়ের আইনি ব্যাখ্যা তৈরি করতে অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।

ফলে এখন নজর লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) সিদ্ধান্তের দিকে। নতুন করে সময় বাড়ানো হবে কি না, নাকি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই জবাব দিতে হবে তা নিয়েই তৈরি হয়েছে নতুন কৌতূহল। একইসঙ্গে, ২০ সাংসদের বিরুদ্ধে ওঠা দলত্যাগবিরোধী আইনের অভিযোগের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেও নজর রাজনৈতিক মহলের। বিষয়টি নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই দ্রুত সিদ্ধান্তের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন