কলকাতা: ‘আসল’ তৃণমূল (TMC) আসলে কারা? এই বিতর্কে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ‘মমতাপন্থী’ না ‘ঋতব্রতপন্থী’ কাদের হাতে থাকবে জোড়াফুল প্রতীক? এই বহুচর্চিত প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই। সূত্রের খবর, সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই তৃণমূলের ভাঙন সংক্রান্ত মামলায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে চলেছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)। তাঁর সিদ্ধান্তের উপরই নির্ভর করবে লোকসভায় কারা তৃণমূলের স্বীকৃত সাংসদ হিসেবে থাকবেন, কারা পাবেন দলের প্রতীক ও অন্যান্য সাংসদ-সংক্রান্ত অধিকার।
স্পিকারের সচিবালয় সূত্রে খবর, তৃণমূলের (TMC) দুই পক্ষের বয়ান শুনেছেন স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)। সেইসঙ্গে শিবসেনার ভাঙন সংক্রান্ত মামলায় উদ্ধব ঠাকরে শিবির এবং বিদ্রোহী সাংসদদের বক্তব্যও শোনা হয়েছে। দুই মামলারই শুনানি শেষ হয়েছে বলে খবর।
সূত্রের খবর, ২০ জুলাই শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনের আগেই স্পিকার তাঁর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিতে পারেন। সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই অধিবেশনের প্রথম দিন থেকে লোকসভার নতুন আসন বিন্যাস কার্যকর হবে। প্রসঙ্গত, ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ ত্রিপুরার একটি দল এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছিল যে তৃণমূলের (TMC) প্রতীকের দাবী হয়ত তাঁরা ছেড়ে দেবেন। কিন্তু সেই জল্পনায় জল ঢেলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন দলের প্রতীক সম্পত্তি ও অন্যান্য অধিকার নিয়ে ভবিষ্যতে আইনি লড়াই হতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত আদালতই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
এই পরিস্থিতিতে স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) সিদ্ধান্ত শুধু তৃণমূলের (TMC) ভবিষ্যৎ নয়, দেশের দলত্যাগ-বিরোধী আইন ও সংসদীয় রাজনীতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এখন নজর, বাদল অধিবেশনের আগেই স্পিকার কী রায় দেন।


