Aaj India Desk, বীরভূম : সামনে বসে অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। আর তাঁর চোখের সামনেই আচমকা পার্টি অফিসে ঢুকে পড়ল একদল যুবক! হাতে লাঠি, রড ও বাঁশ, তারপর শুরু হল ভাঙচুর। চেয়ার-টেবিল থেকে শুরু করে আসবাবপত্র, এমনকী বাতানুকূল যন্ত্রেও আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। ভাঙচুরের মাঝে ভেঙে যায় টেবিলের কাচ। সেই কাচের টুকরো ছিটকে লাগে অনুব্রত মণ্ডলের মুখে। বুধবার দুপুরে সিউড়ির তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
অনুব্রতের সামনেই ভাঙচুর
ঘটনার সময় দলীয় কার্যালয়ের ভিতরেই ছিলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। তিনি একটি চেয়ারে বসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেই সময় কয়েকজন যুবক লাঠি, রড ও বাঁশ নিয়ে কার্যালয়ে ঢুকে পড়েন। এরপরই শুরু হয় ভাঙচুর। চেয়ার-টেবিল, বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং ঘরের অন্যান্য সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ। দলীয় কার্যালয়ে থাকা তৃণমূলের পতাকাও ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
চিৎকার, আঙুল তুলে শাসানি?
ভাঙচুরের পাশাপাশি অনুব্রত মণ্ডলকে উদ্দেশ করে চিৎকার এবং শাসানি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। কয়েকজন যুবক তাঁর দিকে আঙুল তুলে কথা বলছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে দাবি।
ঘটনার দৃশ্য ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কারা ওই যুবক? তাঁদের সঙ্গে দলের কোনও যোগ রয়েছে কি না? আর কী কারণে দলীয় কার্যালয়ের ভিতরেই এমন বিক্ষোভ ও ভাঙচুর তা এখনও স্পষ্ট নয়।
কাচের টুকরোয় জখম কেষ্ট
ভাঙচুরের সময় একটি টেবিলের কাচ ভেঙে ছিটকে অনুব্রত মণ্ডলের মুখে লাগে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় তিনি জখম হয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তবে তাঁর আঘাত কতটা গুরুতর, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।
সিউড়ির তৃণমূল কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডলের উপস্থিতিতেই এমন ঘটনার নেপথ্যে ঠিক কী রয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় দলীয় বিরোধ, ব্যক্তিগত ক্ষোভ, নাকি অন্য কোনও কারণ—কোন বিষয় থেকে এই উত্তেজনার সূত্রপাত, তা এখনও পরিষ্কার নয়। ঘটনার পর এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় দলের তরফে কী পদক্ষেপ করা হয় এবং পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ দায়ের হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর।


