Aaj India Desk, হুগলি: চণ্ডিতলার থানার সামনে তৃণমূল (TMC) ও বিজেপি (BJP) কর্মীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাদের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে থানায় একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই কর্মসূচি শুরুর আগেই থানার সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেখানে উপস্থিত তৃণমূল কর্মীদের লক্ষ্য করে বিজেপি কর্মীরা “চোর চোর” স্লোগান দিতে থাকে এবং কালো পতাকা দেখায়। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও সংঘর্ষের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই ঘটনায় শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) আহত হন এবং তাঁর মাথা থেকে রক্ত বের হয় বলে দাবি করা হয়।
এর আগে সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনার পরপরই এই ঘটনায় আবারও রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরপর দুই দিনে দুই তৃণমূল সাংসদ আহত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ঘটনাস্থলে বড় সংখ্যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, “আমি কাউকে নিয়ে আসিনি। একা একা আসছিলাম, সেই সময় চণ্ডিতলা মোড়ের সামনে বিজেপি কর্মীরা কী বল ছুড়েছে জানি না…ডিউজ বল নাকি অন্য কিছু। আমার মাথা দিয়ে রক্ত বেরচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, তিনি আর কথা বলার অবস্থায় নেই। স্থানীয় মানুষদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা যেন নিজেরাই বিচার করেন এই ঘটনা ঠিক হচ্ছে কি না। এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, একজন স্থানীয় মহিলা তাঁকে জানান যে বিজেপি কর্মীদের হাতে এলাকায় সাধারণ মানুষও আক্রান্ত হচ্ছেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে রাজনৈতিকভাবে চাপ তৈরি করে বিরোধী দলগুলোকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে। এবং তিনি আরও দাবি করেন যে “তৃণমূলকে শূন্য করে দিয়ে সিপিএম ও কংগ্রেসকে ক্ষমতায় আনার চেষ্টা করছে বিজেপি।”


