Aaj India desk, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা সরকার পরিবর্তনের পরেও বদলানো না। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় বড় বড় খানাখন্দের জন্য দুর্ঘটনা ঘটতে থাকে। এমনকি জাতীয় সড়কগুলি (national highway) অবস্থাও অত্যন্ত করুন। কিন্তু কিন্তু রাস্তাঘাটের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এবার জাতীয় সড়কে থাকা গর্তের বলি হলেন এক বাঙালি মহিলা বাইকার।
কি ঘটেছিল?
খড়্গপুরের বালিহাটির কাছে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে(national highway) ঘটেছে মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি। দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ার বাসিন্দা ৪৪ বছর বয়সী দেবহুতি বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিনের বাইকার। বাইক তাঁর ধ্যানজ্ঞান।এদিন ওড়িশার চাঁদিপুর থেকে ১৫ জন আরোহীর একটি দলের সাথে বাইক ট্যুর সেরে ফিরছিলেন তিনি। খড়্গপুরের কাছে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে তাঁর মোটরবাইকটি একটি গভীর গর্তে পড়ে যায়। গর্তে চাকা পড়ামাত্রই তিনি বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মারাত্মকভাবে আছড়ে পড়েন। দেবহুতির ছেলেও তখন ওই বাইকে ছিল। তার চোখের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় দেবহুতিকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
কোন কোন জায়গায় জাতীয় সড়কের অবস্থা খারাপ?
বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় সড়কের (national highway)অবস্থা খুবই খারাপ। তার মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য।
• ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক (NH 34): যাত্রীদের অভিযোগ, বিমানবন্দর ১ নম্বর গেট থেকে বারাসত (বিশেষ করে বিরাটি ও গৌরীপুর অঞ্চল) পর্যন্ত সদ্য সারাই হওয়া অংশেও নতুন করে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে, যার ফলে তীব্র যানজট হচ্ছে।
• ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক (NH 19): আসানসোলের মরিচকোটার কাছে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর আচমকা এক বিশাল গর্ত বা ধস নামার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে।
• বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম জাতীয় সড়ক রুট: বাঁকুড়া থেকে ঝাড়গ্রাম সংযোগকারী সড়ক পথে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে গাড়ির চালকেরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে বলার পরেও এই রাস্তাগুলো সারানো হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন আর কত মৃত্যু হলে সচেতন হবে প্রশাসন?


