Aaj India desk, নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ( west bengal assembly election)দ্বিতীয় দফার ভোট সম্পন্ন হয়েছে। দুই দফাতেই ভোটদানের হার রেকর্ড ছাড়িয়েছে। প্রথম দফায় রাজ্যে প্রায় ৯৩.১৯ শতাংশ এবং দ্বিতীয় দফায় সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পড়েছে।মোটের উপর শান্তিপূর্ণ এবারের নির্বাচন। ভোটদানের রেকর্ড দেখে সন্তুষ্ট দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার (CEC)।
কি বললেন তিনি?
ভোটপর্ব মিটতেই বাংলার জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার (CEC) বলেন, ” প্রথম ও দ্বিতীয় দফা মিলিয়ে স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথম এ বছরই রাজ্যের নির্বাচনে সর্বোচ্চ শতাংশ ভোটদান করা হয়েছে। বাংলার এই বিপুল জনঅংশগ্রহণ হল ‘ভোটের উৎসব, সামগ্রিকভাবে বাংলার গর্ব’ (Chunav ka Parv, Paschim Bengal ka Garv)।” তিনি আরও জানান, ” দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে ভোটদানের হার ৯৫ শতাংশও ছাড়িয়ে গিয়েছে।গরম বা নানা বাধা সামলেও বাংলার মানুষ যেভাবে দলে দলে ভোট দিতে এসেছেন, তা সারা দেশের কাছে একটা বড় দৃষ্টান্ত।” বাংলার মানুষ নিজে থেকেই এগিয়ে এসে ভোটদানে অংশ নিয়েছেন, সেজন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার (CEC)। এই রেকর্ডকে গনতন্ত্রের জয় বলে অভিহিত করেন তিনি।
এই বছরের নির্বাচন শুরু থেকেই নানা কারণে বিতর্কিত ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা ( SIR)। প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের নাম এর জন্য বাদ পরে যায়। বৃদ্ধ অশক্ত ভোটারদের হয়রানি নিয়ে সরব হয় সমস্ত রাজনৈতিক দল। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে (CEC) তারা ‘ ভ্যানিশ ‘ কুমার নাম দেয়। এমনকি তার নামে ইম্পিচমেন্ট প্রস্তাবও এনেছে বিরোধীরা। এছাড়াও নির্বাচনের আগে দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের রাজনীতিঘেঁষা পোস্ট, মন্তব্য ভালো চোখে নেয়নি কেউই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রায় রক্তপাতহীন এবং হিংসাহীন একটি নির্বাচন সমস্ত সমালোচনার জবাব দিয়ে তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।


