নয়াদিল্লি: যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত (CJP Protest) পড়ুয়াদের উপর পেলেট গান ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে দিল্লি পুলিশ। শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এদিন ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর দেশের ছাত্রসমাজকে কুর্নিশ জানিয়ে অমিত শাহকেও সরাসরি নিশানা করেন রাহুল।
তাঁর অভিযোগ, ছাত্র আন্দোলন (CJP Protest) দমনে বলপ্রয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল এবং ছাত্রদের বিরুদ্ধে পেলেট গান-সহ প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনায় অমিত শাহের ভূমিকা রয়েছে। রাহুল গান্ধী বলেন, “আমরা ছাত্রদের বিরুদ্ধে হওয়া হিংসার জন্য সরাসরি অমিত শাহকে দায়ী করছি। তিনিই আমাদের ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর অনুমতি দিয়েছেন। ছাত্রদের বিরুদ্ধে পেলেট গান-সহ প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারেরও অনুমতি দিয়েছেন।”
তিনি (Rahul Gandhi) আরও বলেন, “এটি আমাদের কাছে অত্যন্ত মৌলিক একটি বিষয়। ভারতের ভবিষ্যৎ, অর্থাৎ ছাত্রদের ওপর দেশের নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালাবে! এটি আমরা কোনওভাবেই মেনে নেব না। সংসদে এটি একটি বড় ইস্যু হবে।” পাশাপাশি, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) বলেন, “এটা তাঁদের জয়, যারা ভারতের ভবিষ্যৎ। এই সাফল্যের কৃতিত্ব আন্দোলনকারী ছাত্রদেরই প্রাপ্য।”
এদিন তিনি আরও দাবি করেন, এক সময় ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে সম্মানের সঙ্গে দেখা হতো এবং দেশের গর্ব হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, গত কয়েক বছর ধরে সেই শিক্ষা ব্যবস্থার উপর ধারাবাহিকভাবে আঘাত নেমে এসেছে। রাহুলের কথায়, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে রক্ষা করা এবং পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার লড়াই এখনও শেষ হয়নি। তিনি (Rahul Gandhi) ইঙ্গিত দেন, শিক্ষা ও ছাত্রস্বার্থের প্রশ্নে বিরোধীরা আগামী দিনেও আন্দোলন চালিয়ে যাবে।


