Aaj India Desk, নদিয়া: নদিয়ার (Nadia)২ নম্বর চক এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় (Primary School)-কে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, স্কুলের অবহেলার জেরে প্রথম শ্রেণির এক ছোট পড়ুয়া গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফেরে। ঘটনায় প্রধান শিক্ষিকার (Head Mistress) ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের সূত্রে খবর, শুক্রবার সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ ক্লাস চলাকালীন হঠাৎ পড়ে গিয়ে আহত হয় ওই ছাত্র। তার চোখের পাশ কেটে যায় এবং সেখান থেকে রক্ত পড়তে শুরু করে। অভিযোগ উঠেছে, আহত ছাত্রকে কোনও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। এমনকি পরিবারের কাউকেও বিষয়টি জানানো হয়নি। আরও অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের আগেই দুপুর ১টার আগে স্কুলে ছুটি ঘোষণা করা হয়। এরপর প্রধান শিক্ষিকাও স্কুল ছেড়ে চলে যান বলে দাবি এলাকাবাসীর।
স্কুল ছুটির পর রক্তমাখা মুখ ও পোশাক পরে শিশুটি একাই হেঁটে বাড়ি ফিরে আসে। তাকে ওই অবস্থায় দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। বাড়িতে পৌঁছনোর পরও তার চোখের পাশ থেকে রক্তপাত হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। পরে দ্রুত তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার পর ক্ষুব্ধ অভিভাবকদের প্রশ্ন, একটি শিশু গুরুতর জখম হওয়ার পর কেন পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হল না? কেন আগেভাগে স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হল? এই নিয়ে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
ইতিমধ্যেই ছাত্রটির পরিবারের পক্ষ থেকে স্কুল পরিদর্শকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকার বদলির দাবিতে সরব হয়েছেন গ্রামবাসীরাও। তাঁদের বক্তব্য, যেখানে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়, সেখানে স্বাভাবিক পড়াশোনা সম্ভব নয়। যদিও স্কুল পরিদর্শক বিষয়টি তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন, তবে এখনও পর্যন্ত স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।


