Aaj India desk, কলকাতা: যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য ফাঁকা করতে হবে প্ল্যাটফর্ম। তাই বুলডোজার চালিয়ে উচ্ছেদ করা হবে হকারদের (Hawker eviction)। এই রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর উত্তরপ্রদেশ বিহারের মত এখানেও চলছে বুলডোজার সংস্কৃতি। শিয়ালদহ, হাওড়া স্টেশনের পরে দমদম স্টেশনেও রাতের অন্ধকারে বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে সব দোকান। এরপর লক্ষ্য ছিল যাদবপুর। কিন্তু রাতভর প্রতিরোধে ফিরে গেল বুলডোজার।
কি ঘটেছিল?
গতকাল সকাল থেকেই হকার উচ্ছেদের (Hawker eviction) জন্য নোটিস দেওয়া হয়ে গেছিল। এর প্রতিবাদে সারাদিন ধরে প্রতিরোধ গড়ে তোলে বিভিন্ন বাম রাজনৈতিক দল। সন্ধ্যায় তারা বিক্ষোভও দেখায়। কিন্তু রাত বাড়তেই স্টেশনের বাইরে চলে আসে ৪ টি জেসিবি বা বুলডোজার। ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান এস এফ আইয়ের সর্বভারতীয় সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য। উপস্থিত হন সিটু সিপিআইএম এবং লিবারেশন (CPIML)-সহ বিভিন্ন বামপন্থী দলের নেতা-কর্মীরা। হকাররা ছাড়াও ভিড় করেন এলাকাবাসীরা। রাতের শেষ ট্রেন চলে যাবার পরেই কাজ শুরু করার কথা ছিল। ঘটনাস্থলে মজুত ছিল রেল পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের বিশাল বাহিনী।
শেষ পর্যন্ত কি হল?
হকারদের (Hawker eviction) রুটি-রুজি বাঁচাতে যাদবপুর স্টেশনে হাজির হওয়া এলাকাবাসী এবং বাম কর্মী সমর্থকরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বাম নেতা সৃজন ভট্টাচার্য এবং মহম্মদ শামীমসহ অন্যান্যরা রেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ আধিকারিকদের সাথে সরাসরি দীর্ঘ আলোচনা করেন। শেষ পর্যন্ত হাইকোর্ট থেকে আনা অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেখানো হয়। সেখানে আদালত স্পষ্ট বলেছিল হকারদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে হুট করে উচ্ছেদ করা যাবে না। শেষ পর্যন্ত রেল কর্তৃপক্ষ বুলডোজার ফিরিয়ে নিয়ে যান। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন হকাররা।


