32.2 C
Kolkata
Saturday, July 18, 2026
spot_img

সব খুইয়েও দম্ভ অটুট! ‘৩১-এ সরকার বদলালে…’ চ্যালেঞ্জ অভিষেকের!

কলকাতা: ক্ষমতা গিয়েছে, ভেঙেছে দল! প্রতীক-তহবিল নিয়েও দড়ি টানাটানি! একের পর এক বিধায়ক, সাংসদ হাতছাড়া! একাধিক মামলায় নিজে জর্জরিত! তবুও দম্ভ অটুট ‘যুবরাজ’-এর! শনিবার আমতলার পার্টিঅফিস বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর আবার ‘বিস্ফোরক’ মন্তব্য করলেন কালীঘাট তৃণমূলের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)!

এদিন বিকেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কালীঘাট শিবিরের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র ভাষায় বিজেপি এবং প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে হাই কোর্ট থেকে প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত আইনি লড়াই চালানো হবে।

অভিষেকের অভিযোগ, প্রশাসন কোনও অভিযোগপত্র না দিয়েই তড়িঘড়ি করে দলীয় কার্যালয় ভেঙে দিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “১৫ তারিখ আমাদের ডাকা হয়েছিল। আমাদের প্রতিনিধিরা গিয়েছিলেন। অভিযোগপত্র চাওয়া হলেও তা দেওয়া হয়নি। অথচ মাত্র তিন দিনের মাথায় বুলডোজার দিয়ে পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দেওয়া হল।”

তিনি (Abhishek Banerjee) আরও অভিযোগ করেন, অভিযানের সময় শুধু সরকারি আধিকারিকরাই ছিলেন না, বিজেপি নেতারাও দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন। অভিষেকের দাবি, গোটা ঘটনার ভিডিও-সহ সমস্ত তথ্য প্রধান বিচারপতির ওএসডি-র কাছে পাঠানো হয়েছে। তাঁর কথায়, “হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব।”

X link: https://x.com/AITCofficial/status/2078444113494745204?s=20

সবচেয়ে বিতর্কিত মন্তব্যটি আসে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে। অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেন, “যে ধারায় তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙা হয়েছে, সরকার পরিবর্তনের পর একই ধারায় বাংলায় বিজেপির একটা পার্টি অফিসও থাকবে না।” তাঁর দাবি, প্রশাসনকে ব্যবহার করে তৃণমূলকে রাজনৈতিকভাবে শেষ করার চেষ্টা চলছে। তবে সেই চেষ্টাই শেষ পর্যন্ত উল্টো ফল দেবে। বক্তব্যের শেষদিকে কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে অভিষেক বলেন, “যারা আগুন জ্বালিয়ে তৃণমূলকে ধ্বংস করতে চাইছে, সেই আগুনের স্ফুলিঙ্গ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে আমরা আবার জন্মগ্রহণ করব।”

প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগণার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) দলীয় কার্যালয়ের কথিত বেআইনি অংশ ভাঙার কাজ শুরু করতেই সামনে আসতে শুরু করেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, আজ যেখানে চারতলা কার্যালয় দাঁড়িয়ে, একসময় সেখানে একটি বেকারি কারখানা ছিল।

তাঁদের অভিযোগ, ২০১৪ সালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার কিছুদিন পর রহস্যজনকভাবে ওই বেকারি কারখানায় আগুন লাগে। এরপর কারখানাটি আর চালু হয়নি। অভিযোগ, পরবর্তীতে ওই জমি অধিগ্রহণ করে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস এবং পুড়ে যাওয়া কারখানার জায়গাতেই গড়ে ওঠে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চারতলা দলীয় কার্যালয়।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন