নয়াদিল্লি: হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও অনশন ভাঙেননি সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk), বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলী জে অ্যাংমো (Gitanjali J Angmo)। সেইসঙ্গে সাফদরজং হাসপাতালের বিরুদ্ধে রিপোর্টের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সমাজমাধ্যমের পোস্টে তিনি লেখেন, “সফদরজং হাসপাতালের রিপোর্টে সোনমের (Sonam Wangchuk) রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা ২.৯ বলা হয়েছে। অথচ গতকালই সেই মাত্রা ছিল ৪.৩! ওরা আমাকে সোনমকে অন্য কথাও নিয়ে যেতে দিচ্ছে না, অন্য কোনও ল্যাবে পরীক্ষা করাতেও দিচ্ছে না!”
X link: https://x.com/GitanjaliAngmo/status/2078437739935203459
তিনি আরও লেখেন, “আমি এখানে ৩ ঘন্টা ধরে বসে আছি। অথচ হাসপাতালের তরফে আমাকে কিছু জানানো হচ্ছে না!” এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সোনমের স্ত্রী। তাঁর (Gitanjali J Angmo) কথায়, স্বচ্ছতার অভাবই তাঁদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই তাঁরা সোনমকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিয়ে এমন একটি হাসপাতালে স্থানান্তরের আবেদন করেছেন, যেখানে তাঁদের আস্থা রয়েছে। তবে সেই আবেদন নিয়েও দীর্ঘক্ষণ কোনও উত্তর মেলেনি বলে অভিযোগ গীতাঞ্জলীর (Gitanjali J Angmo)।
সেইসঙ্গে সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে অ্যাংমো। তাঁর দাবি, সাদা চাদরে আড়াল করে পুলিশ যেভাবে সোনমকে (Sonam Wangchuk) নিয়ে গিয়েছে, তা দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশের পরিপন্থী।
গীতাঞ্জলির কথায়, “আদালত শুধু তাঁর স্বাস্থ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণের কথা বলেছিল, হাসপাতালে ভর্তি করার নির্দেশ দেয়নি। সোনম এখনও অনশন চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি চিনি খাচ্ছেন না, শুধু নুন মেশানো জল পান করছেন। সরকার তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। কিন্তু এর বাইরে আর কোনও হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই। তিনি দুর্বল, দীর্ঘ অনশনের কারণে মাংসপেশীর ক্ষয় হয়েছে ঠিকই, তবে এখনও সম্পূর্ণ সচেতন ও সজাগ রয়েছেন।”


