Aaj lndia Desk, নয়াদিল্লি: অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) এবং তাঁর স্ত্রী ভূইয়া শর্মা (Riniki Bhuyan Sarma)-র সঙ্গে চলা আইনি টানাপোড়েনের মাঝেই বড় মোড়। কংগ্রেস নেতা পবন খেরা (Pawan Khera)-কে তেলঙ্গানা হাইকোর্ট যে এক সপ্তাহের অন্তর্বর্তী ট্রানজিট জামিন দিয়েছিল, তাতে আপাতত ‘ব্রেক’ টানল সুপ্রিম কোর্ট ( Supreme Court of India)।
অসম সরকারের আপত্তির ভিত্তিতে শীর্ষ আদালতের এই স্থগিতাদেশে বদলে গেল পুরো সমীকরণ।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা এবার কি গ্রেপ্তারের পথ আরও সহজ হয়ে গেল ?আইনি সুরক্ষা মিললেও তা যে স্থায়ী নয়, এই ঘটনায় যেন ফের স্পষ্ট। বরং আদালতের এই নতুন নির্দেশে চাপ বাড়ল খেরার ওপরই। এখন নজর, পরবর্তী আইনি পদক্ষেপে খেরা কি আবার স্বস্তি পাবেন, নাকি আইনের জালে আরও জড়াবেন?
এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে ইতিমধ্যেই পবন খেরার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের পথে গিয়েছেন রিণিকি ভূইয়া শর্মা। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মিথ্যা অভিযোগের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে, ভোটের আগে এই অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
প্রসঙ্গত, এই পুরো বিতর্ককে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। তাঁর আশঙ্কা, কংগ্রেস নেতা পবন খেরা (Pawan Khera)-এর করা অভিযোগ ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।হিমন্ত বিশ্ব শর্মার দাবি, নির্বাচনী প্রচারের সময় এ ধরনের অভিযোগ নিয়ে আরও কঠোর ও সুস্পষ্ট আইন থাকা প্রয়োজন। তাঁর মতে, বিষয়টি নিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন এবং ফল প্রকাশের পর প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবছেন।
এছাড়া তাঁর আরও বক্তব্য, যদি কোনও জাতীয় রাজনৈতিক দল ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করে, তাহলে সেই দলের রেজিস্ট্রেশন নিয়েও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
পবন খেরা (Pawan Khera)-এর বিরুদ্ধে রিণিকি ভূইয়া শর্মার মানহানি এবং সাইবার অপরাধের ধারায় মামলা দায়ের হওয়ার পরেই তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য দিল্লির বাসভবনে হানা দেয় অসম পুলিশ। তবে সেই সময় পবন খেরা বাড়িতে ছিলেন না।এরপর অসম ও দিল্লি পুলিশের যৌথ অভিযানের পরই তেলঙ্গানা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন পবন খেরা, ট্রানজিট জামিনের আবেদন জানিয়ে।


