Aaj India Desk ,কলকাতা: বিপুল জয়ে বিধানসভা নির্বাচনে এগিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি, আর তার জেরেই চাপে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফলাফল স্পষ্ট হতেই নতুন সরকার গঠনের তোড়জোড় শুরু করেছে গেরুয়া শিবির।
তবে এত বড় জয়ের পরেও এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন একটাই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? একাধিক নাম রয়েছে তালিকায় আর ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ।৯ মে, ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর জন্মদিন। আর সেই দিনেই নতুন সরকারের শপথের সিদ্ধান্ত, বিগেটে চলছে তারই প্রস্তুতি ।৭ মে অর্থাৎ আগামীকালই শেষ হচ্ছে সরকারের মেয়াদ।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। আর ঠিক এই আবহেই আজ রাজ্যে পা রাখতে চলেছেন অমিত শাহ যা নতুন করে বাড়াচ্ছে জল্পনা।
সূত্রের খবর, সরকার গঠনকে ঘিরে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। দলীয় পরিষদীয় নেতা নির্বাচন এবং মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করা এই দুই বড় দায়িত্ব নিয়েই আজ রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ।ইতিমধ্যেই জয়ী সমস্ত বিধায়ককে কলকাতায় পৌঁছনোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজকের মধ্যেই তাঁদের উপস্থিত থাকার কথা, আর সেই সঙ্গেই শহরে আসছেন মোহন চরণ মাঝি। রাজনৈতিক মহলের মতে, আজ রাতেই হতে পারে বৈঠক, যেখানে ঠিক হয়ে যেতে পারে দলীয় পরিষদীয় নেতা অর্থাৎ সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রীর নাম।
কিন্তু বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? সেই প্রশ্নই এখন রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। নিয়ম মেনে, প্রথমে দলীয় পরিষদীয় নেতা নির্বাচনের জন্য বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক হবে। সেখানেই মতামত নিয়ে ঠিক করা হবে নেতৃত্ব, আর সেই নির্বাচিত নেতাই যাবেন রাজ্যপাল-এর কাছে সরকার গঠনের দাবি জানাতে। এ বার চিরাচরিত ভোটাভুটির পথে হাঁটা হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আগেই সম্ভাব্য নামগুলি নিয়ে আলোচনা সেরে রেখেছে। ফলে পর্যবেক্ষক এসে সরাসরি সেই সিদ্ধান্তই বিধায়কদের সামনে তুলে ধরতে পারেন। তবে ভোট নয়, ঐক্যমতের ভিত্তিতেই বেছে নেওয়া হবে নেতা এমনটাই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে দলীয় সূত্রে ।
এখন জোর জল্পনা, সেই ঐকমত্যের মুখই শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সামনে আসবেন এবং তিনিই রাজভবনে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন। অন্যদিকে ৭ মে-ই শেষ হচ্ছে বর্তমান সরকারের মেয়াদ। এই পরিস্থিতিতে চাইলে রাজ্যপাল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকে কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যেতে বলতে পারেন, যতক্ষণ না নতুন সরকার শপথ নিচ্ছে।


