নয়াদিল্লি: গতকাল বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের (INDIA Alliance) কারণে সংবিধান (১৩১তম সংশোধন) বিল ২০২৬ পাশ হতে ব্যর্থ হয়। ফলে মহিলাদের জন্য এক তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণ প্রস্তাবটি চলে যায় বিশ বাঁও জলে। এই অবস্থায় বিরোধীরা চিহ্নিত হয়েছেন মহিলাদের উন্নয়নের পরিপন্থী বলে। বিভিন্ন রাজ্যে চলছে নির্বাচন, এই অবস্থায় এই তকমা তাদের জন্য বিপজ্জনক বলেই মনে করে রাজনৈতিক মহল। সব জেনেশুনেও তাহলে কেনো তাঁরা এই পথে পা দিলেন? বাস্তবে কি বলছেন তাঁরা? সত্যি কি তাঁরা মহিলাদের সংরক্ষণ (Women’s Reservation Bill) চান না? নাকি তাঁদের আপত্তির কারণ আলাদা।
কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর বলেছেন, “আমরা মহিলাদের বিরোধী নই। আমরা আজও মহিলা সংরক্ষণের (Women’s Reservation Bill) পক্ষে সমর্থন দিতে প্রস্তুত। কিন্তু আমরা এই বিলের বিরোধিতা করেছি কারণ আপনারা নির্বাচনী এলাকা পুনর্নির্ধারনের বিষয়টিকে কেন এর সঙ্গে জড়িয়ে ফেলছেন? নির্বাচনী এলাকা পুনর্নির্ধারণ একটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয় এবং এর সাথে অত্যন্ত গুরুতর প্রশ্ন জড়িত, যার জন্য গুরুতর আলোচনা প্রয়োজন… মহিলা সংরক্ষণ এখনই বাস্তবায়ন করুন, আলাদা করে করুন, এই বর্তমান সংসদ অধিবেশনেই করে ফেলুন। আর নির্বাচনী এলাকা পুনর্নির্ধারণ বিষয়টি পরে আলোচনার মাধ্যমে দেখা হোক।”
অন্যদিকে সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাস তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন “মোদী সরকারের শয়তানি খেলা ফ্লপ হয়েছে। তারা মহিলাদের ঢাল বানিয়ে দেশকে ঠকাতে চেয়েছিল। যদি সততা থাকে, তাহলে বর্তমান সদস্য সংখ্যার ভিত্তিতে এক-তৃতীয়াংশ সংরক্ষণ এখনই চালু করুক।” অর্থাৎ তাঁদের বক্তব্য মহিলা সংরক্ষণ বিলটিকে আলাদা করে দেওয়া হোক নির্বাচনী এলাকা পুনর্নির্ধারনের থেকে।
যদিও বিজেপির তরফ থেকে একে রীতিমত নারী শক্তির অপমান বলে চিহ্নিত করে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার ডাক দেয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টরমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন “মহিলাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে। মহিলারা এদের ক্ষমা করবেন না।”


