24.6 C
Kolkata
Thursday, October 29, 2026
spot_img

দীপাবলিতে মাত্র ২ ঘণ্টা, ছট পুজো-তেও সময় নির্দিষ্ট! বাজিপোড়ানো নিয়ে কী নির্দেশ রাজ্যের?

Aaj India Desk, কলকাতা: দীপাবলি, কালীপুজো ও ছটপুজোকে সামনে রেখে বাজি পোড়ানো নিয়ন্ত্রণে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য সরকার (State Government)। সাধারণ মানুষকে শুধুমাত্র সবুজ বাজি ব্যবহারের আবেদন জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র সচিব সংঘমিত্রা ঘোষ। নবান্নে (Nabanna) এই বিষয়ে সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দমকলের ডিজি অনুজ শর্মা, ডিজিপি সিদ্ধীনাথ গুপ্ত এবং পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা।

আদালতের নির্দেশ মেনে দীপাবলির দিন রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানো যাবে। অন্যদিকে, ছটপুজোর সময় সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানোর অনুমতি রয়েছে। পাশাপাশি, জনবসতিপূর্ণ এলাকার মধ্যে বাজি বাজার না করে ফাঁকা জায়গায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল, নার্সিংহোম এবং বৃদ্ধাশ্রমের ১০০ মিটারের মধ্যে বাজি পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই এলাকাগুলিকে নীরব এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বাজি তৈরি ও মজুতের জায়গাগুলিতে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হবে। বাজি বাজারগুলিতেও নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। নিয়ম ভাঙলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন ডিজিপি সিদ্ধীনাথ গুপ্ত। বাজি সংক্রান্ত অভিযোগ জানানোর জন্য খুব শীঘ্রই কন্ট্রোল রুমের নম্বর প্রকাশ করা হবে। ফানুস ওড়ানোর ক্ষেত্রেও সতর্ক করেছে প্রশাসন। ফানুস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও, তা ওড়ানোর আগে দমকল ও পুলিশের অনুমতি নিতে হবে।

সম্প্রতি চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে দুর্ঘটনার পর উৎসবের মরশুমে নিরাপত্তা নিয়ে আরও সতর্ক রাজ্য সরকার। কালীপুজো ও ছটপুজোর পাশাপাশি জগদ্ধাত্রী পুজো এবং রাস উৎসবেও বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উৎসবের দিনগুলিতে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে একাধিক নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো ও শান্তিপুরের রাস উৎসবকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কালীপুজো ও ছটপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে ইতিমধ্যেই জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। উত্তর কলকাতার ঘিঞ্জি এলাকা থেকে শুরু করে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, পশ্চিম বর্ধমান এবং ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল—বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বজায় রাখাই এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন