Aaj India Desk, কলকাতা : গ্রামের বেহাল রাস্তা নিয়ে এবার সময়সীমা বেঁধে কড়া নির্দেশ দিল পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর। গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা দ্রুত পরিদর্শন করে মেরামতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে চিহ্নিত সব গ্রামীণ রাস্তা গর্তমুক্ত করে চলাচলের উপযোগী করতে হবে। এই সময়সীমা কোনওভাবেই বাড়ানো হবে না বলেও নির্দেশিকায় স্পষ্ট করা হয়েছে। (Rural Road Repair)
বেহাল রাস্তা নিয়ে একাধিক অভিযোগ
দফতরের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই গ্রামের রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে অভিযোগ আসছিল। সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও বন্যার পরিস্থিতিতে বহু রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। এর জেরে বাজার, স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র-সহ জরুরি পরিষেবায় যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকেও একাধিক অভিযোগ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। (Rural Road Repair)
পাশাপাশি দফতরের পর্যালোচনায় পাঠশ্রী, RIDF ও স্টেট ফান্ডের আওতায় বেশ কিছু রাস্তার কাজের গতি সন্তোষজনক নয় বলে ধরা পড়েছে। ঠিকাদারদের গাফিলতি এবং রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তিগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার ক্ষেত্রেও ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
৬০ দিনের মধ্যে কাজ শেষের নির্দেশ
এবার প্রতিটি এলাকায় ইঞ্জিনিয়ারদের সরেজমিনে ব্যাপক পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিদর্শনের মাধ্যমে মেরামতির প্রয়োজন রয়েছে এমন সব রাস্তা চিহ্নিত করতে হবে। পাঠশ্রী ও স্টেট ফান্ডের অধীনে চলতে থাকা সমস্ত কাজ আগামী ৬০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট রাস্তাগুলিকে ১০ অক্টোবরের মধ্যে নিরাপদ ও ব্যবহারযোগ্য করে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু চলতি প্রকল্পের রাস্তা নয়, চিহ্নিত সমস্ত গ্রামীণ রাস্তা ওই সময়সীমার মধ্যে গর্তমুক্ত করার নির্দেশ রয়েছে। (Rural Road Repair)
গাফিলতি হলে ঠিকাদারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদেরও শোকজ করা হবে। প্রয়োজনে সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত বা নিষিদ্ধ করা হতে পারে। প্রতিটি PIU-কে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ATR জমা দিয়ে শোকজ, কালো তালিকাভুক্তি ও বিভাগীয় পদক্ষেপের বিস্তারিত জানাতে হবে।
গ্রামীণ রাস্তার অবস্থা সরাসরি বাজার, স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবাকেও প্রভাবিত করে। তাই রাস্তা মেরামতির বিষয়টিকে ‘শীর্ষ অগ্রাধিকার’ এবং ‘জরুরি’ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছে পঞ্চায়েত দপ্তর।


