Aaj India Desk, নয়া দিল্লি: দেশজুড়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় উত্তাল ছাত্রসমাজ। ২০ জুলাই ‘সংসদ চলো’ অভিযানের পর এবং সোনম ওয়াংচুকের অনশন চালিয়ে যাওয়ার কঠোর অবস্থানের ফলে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে শেষ পর্যন্ত কড়া পদক্ষেপ নিতে উদ্যোগী হলো কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) জানিয়েছেন, পেপার লিক সংক্রান্ত সমস্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি ও দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
কী কী ঘোষণা করলেন মোদী ?
বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের যুবসমাজের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সেই লক্ষ্যেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর পোস্টে স্পষ্ট জানানো হয় যে —
- পেপার লিকের সব মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করা হবে।
- এবার থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হবে।
- সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আধিকারিকদের অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) বলেন, “দেশের যুবসমাজের স্বার্থ এবং তাদের ভবিষ্যৎ আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।”
কেনো হঠাৎ কড়া পদক্ষেপ ?
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিভিন্ন নিয়োগ ও প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে বারবার পরীক্ষাব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে সিজেপির আন্দোলন ও সংসদে বিরোধীদের বিক্ষোভের কারণে প্রথমেই চাপে ছিল কেন্দ্র।
এর মধ্যেই গতকাল রাতে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী পরিসংখ্যান তুলে ধরে দেখান যে দেশ জুড়ে গত ১০ বছরে প্রায় ১৫২ টি প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। অথচ একটি ঘটনাতেও কাউকে অভিযুক্ত প্রমাণ করে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই মন্তব্যের পরেরদিনই তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিলেন নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।


