Aaj India Desk, কলকাতা: রবিবার ভোর হতেই রাজ্যের একাধিক জায়গায় ফের সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সকাল-সকালই ইডির (ED) একযোগে তল্লাশি অভিযান ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে। কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস (Shantanu Sinha Biswas)-এর দুটি ঠিকানায় হানা দেয় ইডি। পাশাপাশি বেহালাতেও এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে চলে তল্লাশি। ‘সান গ্রুপ’-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদার (Jay Kamdar)-এর বাসভবনেও পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, আর্থিক প্রতারণা মামলার সূত্র ধরেই এই অভিযান।
সূত্রের খবর, রবিবার সকালেই মোট পাঁচটি গাড়িতে করে ইডির দল সেখানে পৌঁছয়। এর মধ্যে তিনটি গাড়িতে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সকাল প্রায় ছ’টা নাগাদ আধিকারিকরা বাড়িতে প্রবেশ করেন এবং তারপরই শুরু হয় দীর্ঘ তল্লাশি।
উল্লেখযোগ্যভাবে, কয়েকদিন আগেই ওই একই বাড়ি থেকে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। এরপর জয় কামদারকে দু’দফায় তলবও করা হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে তিনি হাজিরা দেননি বলেই সূত্রের দাবি। উল্লেখ্য, যেদিন ওই নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছিল, সেদিনই সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, ভোটের মুখে এর আগেও তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতর একাধিকবার অভিযান চালায়। শুধু তাঁর বাড়িতেই নয়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুর কেন্দ্রের মনোনয়নপত্রের এক প্রস্তাবকের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়।শুক্রবার দুপুরে ২ নম্বর এলগিন রোডে মিরাজ শাহ নামে ওই প্রস্তাবকের বাড়িতে পৌঁছন আয়কর আধিকারিকরা। মিরাজ শাহ পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট এবং একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম কর্ণধার বলেও জানা গিয়েছে। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি নিয়ে তৃণমূল সরব হয়েছিল।
এরপর রবিবার সকালেই ফের একযোগে সক্রিয় হয়ে উঠল কেন্দ্রীয় এজেন্সি, যা ঘিরে ভোটের আগে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।


