কলকাতা: মাত্র ৩ দিনের মাথায় দ্বিতীয় দফার ভোট। আর তাঁর আগেই রবিবার সকাল থেকে শহল কলকাতায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্ট্রেটের (ED) বড় অভিযান। আনন্দপুরের আরবানা আবাসনে ব্যবসায়ী কল্যাণ শুক্লার ফ্ল্যাটে প্রায় ৩ ঘন্টা ধরে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। এছাড়াও আলিপুরে ব্যবসায়ী সঞ্জয় কানোরিয়ার বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।
জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পু (Sona Pappu Case) মামলার যোগসূত্র ধরেই এই দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় গ্রেফতার হয়েছে ব্যবসায়ী জয় কামদার। ইনি সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ বলে তদন্তে উঠে আসে। মানি লন্ডারিং ও বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতারের পর আদালতে পেশ করা হয় এবং ইডি হেফাজতেও নেওয়া হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু (Sona Pappu Case) এখনও ফেরার। তবে জয় কামদারের সঙ্গে যোগসূত্র ধরেই রবিবার এই দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ইডি, বলে জানা গিয়েছে।
একজনরে সোনা পাপ্পু মামলা (Sona Pappu Case)
সোনা পাপ্পু মামলায় এখনও পর্যন্ত তদন্তে উঠে এসেছে:
- সোনা বাজারে ছড়ানো
- কালো টাকা সাদা করা
- ভুয়ো কোম্পানির মাধ্যমে লেনদেন
সাম্প্রতিক তল্লাশি এই ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিস ঘিরেই
আর্থিক চক্র:
- হাওলা চ্যানেল ব্যবহার
- শেল কোম্পানি (ভুয়ো কোম্পানি)
- ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন ঘুরিয়ে টাকা সাদা করা
- সোনা বিক্রির টাকাকে বৈধ আয়ের মতো দেখানো
প্রভাবশালী সংযোগ:
- তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে, কিছু পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ থাকতে পারে
- রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়েও খতিয়ে দেখা হচ্ছে
তদন্তের বর্তমান ফোকাস:
- কারা কারা টাকা নিয়েছে বা লেনদেনে যুক্ত
- কোথা থেকে সোনা আসত (আন্তর্জাতিক রুট)
- কারা এই নেটওয়ার্ককে সুরক্ষা দিত


