নয়াদিল্লি: দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পক্ষপাতদুষ্ট! সংসদ হোক বা সভামঞ্চ, বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের (INDIA Alliance) নেতা-মন্ত্রী-সাংসদদের মুখে শোনা গিয়েছে এই অভিযোগ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিকবার সুর সরিয়েছেন নির্বাচন কমিশন ও জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) বিরুদ্ধে। পশ্চিমবঙ্গ সহ অসম, তামিলনাড়ু, কেরলম এবং পন্ডিচেরীতেও হয়ে গিয়েছে বিধানসভা ভোট।
অসম ছাড়া বাকি ৩ রাজ্য ও পন্ডিচেড়ি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বর্তমানের ক্ষমতায় রয়েছে বিরোধী দল। পাশাপাশি গতকালই পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার পাশাপাশি তামিলনাড়ুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ভোটগ্রহণ। ৪ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেই ফলাফল ৪ মে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রের বিরোধী ইন্ডিয়া জোট।
জানা গিয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) অপসারণ চেয়ে রাজ্যসভার ৭৩ জন বিরোধী দলীয় (INDIA Alliance) সাংসদ সভার মহাসচিবের কাছে প্রস্তাবনা জমা দিয়েছেন। এই অপসারণের ভিত্তি হিসেবে ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে এবং তার পরবর্তী সময়ে তাঁর দ্বারা সংঘটিত বিভিন্ন ‘কর্ম ও বিচ্যুতি’-কে কেন্দ্র করে প্রমাণিত ‘অন্যায়াচরণ’-এর অভিযোগকে তুলে ধরা হয়েছে।
বর্ষীয়ান নেতা তথা কংগ্রেস মুখপাত্র জয়রাম রমেশ এক্সে পোস্ট করেন, “এই অভিযোগগুলো ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২৪(৫)-এর সাথে অনুচ্ছেদ ১২৪(৪); ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার (নিয়োগ, চাকরির শর্তাবলি ও কার্যকাল) আইন, ২০২৩’-এর ধারা ১১(২); এবং ‘বিচারক (তদন্ত) আইন, ১৯৬৮’-এর বিধানাবলির আলোকে উত্থাপন করা হয়েছে।”
X Link: https://x.com/Jairam_Ramesh/status/2047615120197693814
তিনি আরও লেখেন, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের (Gyanesh Kumar) বিরুদ্ধে বর্তমানে নয়টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, যা অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে নথিবদ্ধ করা হয়েছে। এই অভিযোগগুলোকে কোনোভাবেই অস্বীকার করা কিংবা ধামাচাপা দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর পদে বহাল থাকাটা সংবিধানের ওপরই এক চরম আঘাত। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক একটি বিষয় যে, প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশমাফিক কাজ করার জন্য এই ব্যক্তি এখনো তাঁর পদে আসীন রয়েছেন।”


