Aaj India Desk, কলকাতা: প্রথম দফার ভোট (Vote) সবে মিটেছে। এবার আগামী বুধবার বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ, আর ৪ মে ফল ঘোষণা। তার আগেই শহরের বহু নামী-দামি স্কুলে (School) পড়াশোনা নিয়ে বড় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পড়ুয়াদের নিয়মিত স্কুলে যাওয়া নিয়েই এখন দুশ্চিন্তায় অভিভাবকরা। কীভাবে সন্তানদের স্কুলে পাঠাবেন, তা নিয়ে চিন্তায় পরিবারগুলি। অনেক ক্ষেত্রেই স্কুল কর্তৃপক্ষও স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারছে না। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছু স্কুলে অনলাইন ক্লাস (Online Class) চালুর ভাবনাও চলছে।
সমস্যার মূল কারণ, ভোটের কাজে স্কুলবাস ও পুলকার ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। বাস ও পুলকার মালিকদের দাবি, নির্বাচনের জন্য তাঁদের গাড়ি তুলে নেওয়া হচ্ছে। এমনও অভিযোগ উঠছে যে, কলকাতার কিছু জায়গায় স্কুলের পড়ুয়াদের নামিয়ে দিয়ে বাস নিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে পুলকার ও স্কুলবাস মালিকদের বিভিন্ন ইউনিয়ন আপাতত পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, এখন বাস চালানো সম্ভব নয়। জানা গিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী ২৭ তারিখ থেকে গাড়ি নেওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ এখন থেকেই গাড়ি নিচ্ছে বলে অভিযোগ। সেই কারণেই বাধ্য হয়ে আজ শুক্রবার থেকেই পুলকার পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
ফলে হিসেব অনুযায়ী প্রায় ১০ দিন পুলকার পরিষেবা বন্ধ থাকতে পারে। শুক্রবার পরিষেবা বন্ধ হওয়ার পর রয়েছে শনি ও রবিবার। সোমবার ২৭ তারিখ থেকে গাড়ি ভোটের কাজে যাবে। গাড়ি ফেরত পেতে ২৯ তারিখ রাত বা ৩০ তারিখ হয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ফের পরিষেবা শুরু করাও কঠিন। এরপর আবার শনি-রবি, তারপর ৪ মে ভোট গণনা। সব মিলিয়ে এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ পুলকার অ্যাসোসিয়েশনগুলি। আর সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবকেরা।


