Aaj India Desk, মুর্শিদাবাদ: শুরু হয়ে গেল ‘3D ফর্মুলা’- ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট। নবান্নের নির্দেশিকার পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৈরি হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার (Holding Centre)। মুর্শিদাবাদেও (Murshidabad) তৈরি হয়েছে এমনই একটি কেন্দ্র। লালগোলার পদ্মাভবনে রাখা হয়েছে তিন জন সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পদ্মাভবন মূলত মৎস্য ব্যবসায়ীদের থাকার জন্য তৈরি হয়েছিল। ভবনের একতলায় থাকেন মৎস্যজীবীরা। দ্বিতীয় তলা ভাড়া দেওয়া রয়েছে একটি ব্যাঙ্ককে। আর তিনতলাকেই এখন হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সেখানে তিন জনকে রাখা হয়েছে বলে খবর। এছাড়াও, ওই অনুপ্রবেশকারীদের দুবেলা খাবার দেওয়ার জন্য একজন লোকও রাখা হয়েছে। ওই ভবনের বাইরে তালা লাগানো রয়েছে এবং নিরাপত্তায় রয়েছেন সিভিক ভলান্টিয়াররা।
উল্লেখ্য, গতকাল অর্থাৎ রবিবারই নবান্ন থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃত ব্যক্তিদের রাখার জন্য প্রতিটি জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করতে হবে। ওই কেন্দ্রগুলিতে সন্দেহভাজনদের সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত রাখা যাবে। শুধু নতুন করে ধৃতরাই নন, আগে আটক হওয়া এবং যাঁদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে, তাঁদেরও সেখানে রাখা যাবে বলে জানানো হয়েছে। পরে তাঁদের বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। বিএসএফ সংশ্লিষ্ট দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করবে।
এর আগে, ২০২৫ সালের ২ মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ফরেনার্স ডিভিশন রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে আট পাতার একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করেছিল। সেখানেও হোল্ডিং সেন্টার তৈরির কথা উল্লেখ ছিল। যাঁরা CAA-এর আওতায় পড়ছেন না, তাঁদের অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বীরভূমেও একই ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে কিষাণ মান্ডিতে তৈরি হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার।


