26.2 C
Kolkata
Tuesday, July 21, 2026
spot_img

‘দরকার হলে আমি দিল্লি যাব’-২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে CJP-কে সমর্থন মমতার

Aaj India Desk, কলকাতা: দিল্লিতে নিট (NEET-UG 2026) পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে ঘিরে ডাকা ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচি নিয়ে দেশজুড়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র এই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের উপর দিল্লি পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের ঘটনায় আগেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Ex CM Mamata Banerjee)। এবার একুশে জুলাইয়ের (21July) সভা থেকে তিনি আরও স্পষ্টভাবে আন্দোলনের পাশে থাকার বার্তা দিলেন।

তৃণমূল কংগ্রেস-এর শহিদ দিবস উপলক্ষে বিড়লা তারামণ্ডল চত্বরে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রয়োজন হলে তিনি নিজে সিজেপি-র আন্দোলনে যোগ দেবেন। তাঁর কথায়, “যারা মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবে, তাদের সমর্থন করার প্রশ্নই ওঠে না। দরকার হলে আমি নিজেই ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচিতে যাব। প্রথম দিন থেকেই আমরা এই আন্দোলনের পাশে আছি।”

এর আগেও দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলনের উপর পুলিশি পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছিলেন তিনি। মমতার প্রশ্ন ছিল, “যে সরকার নিজের দেশের ছাত্রদের ভয় পায়, তারা কেমন সরকার?” তিনি আরও বলেন, ভারত শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নয়; এটি ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, মহিলা এবং সাধারণ মানুষের দেশ। মানুষের কণ্ঠস্বর দমন করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি।

মঙ্গলবারের সভাতেও তিনি একই অবস্থান বজায় রাখেন। দলীয় রাজনীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিশ্বাসঘাতকতার রাজনীতিকে কোনওভাবেই সমর্থন করা যায় না। একই সঙ্গে সিজেপি-র আন্দোলনের প্রতি নিজের সমর্থন ফের জানিয়ে বলেন, প্রয়োজন হলে তিনি আন্দোলনের মাঠেও উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার সকাল থেকেই যন্তর মন্তর এলাকায় হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী জড়ো হতে শুরু করেন। তাঁদের মূল দাবি ছিল নিট কেলেঙ্কারির নিরপেক্ষ তদন্ত, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান-এর ইস্তফা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রায় ২০ হাজার আন্দোলনকারী যন্তর মন্তর থেকে ভারতের সংসদ ভবন অভিমুখে মিছিল শুরু করলে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁদের পথ আটকায়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং পরে লাঠিচার্জ করে। এই ঘটনায় কয়েকজন ছাত্র এবং কয়েকজন পুলিশ কর্মী সামান্য আহত হন।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন