Aaj India Desk, কলকাতা: শুক্রবার বিধানসভার (West Bengal Assembly) অধিবেশন শেষ হওয়ার পর বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) উদ্যোগে নতুন বিধায়কদের নিয়ে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন দলের একাধিক নবনির্বাচিত বিধায়ক (MLA)। তাঁদের বিধানসভার কাজকর্ম, নিয়ম এবং সংসদীয় রীতিনীতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রায় দু’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই প্রশিক্ষণ শিবিরে নতুন বিধায়কদের খুব সহজ ভাষায় বোঝানো হয়, বিধানসভার ভিতরে কীভাবে কাজ করতে হয়, কীভাবে বক্তব্য রাখতে হয় এবং বিভিন্ন সংসদীয় প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হয়। এই শিবিরে অংশ নেওয়া অনেকেই প্রথমবার বিধায়ক হয়েছেন। তাই বিধানসভার নিয়মকানুন সম্পর্কে তাঁদের অভিজ্ঞতা খুবই কম। সেই কারণেই তাঁদের হাতে-কলমে বিষয়গুলি শেখানো হয়। তবে শুধু নতুনরাই নন, এমন কয়েকজন অভিজ্ঞ বিধায়কও এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, যাঁরা দীর্ঘদিন বিধায়ক থাকলেও বিধানসভায় নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ খুব একটা পাননি।
প্রশিক্ষণে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব বা ‘কোয়েশ্চেন আওয়ার’-এর ওপর। কীভাবে জনস্বার্থের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলতে হয়, কীভাবে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বক্তব্য রাখতে হয়—এসব বিষয় উদাহরণ দিয়ে বোঝান প্রশিক্ষকরা।এই কর্মসূচিতে প্রধান ভূমিকা নেন বর্ষীয়ান নেতা ববি হাকিম (Boby Hakim)। তাঁর সঙ্গে প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাও। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ববি হাকিম নতুন বিধায়কদের নানা গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, বিধানসভায় কার্যকরভাবে ভূমিকা পালন করতে হলে নিয়মকানুন ভালোভাবে জানা অত্যন্ত জরুরি। আইন ও বিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে বিরোধী বেঞ্চে বসেও তথ্য ও যুক্তির ভিত্তিতে শক্তভাবে নিজের বক্তব্য তুলে ধরা সম্ভব। সেই বিষয়েই তিনি নতুন বিধায়কদের বিস্তারিতভাবে দিশা দেখান।


