দক্ষিণ ২৪ পরগণা: গভীর রাত। চারপাশ নিস্তব্ধ। আচমকাই ঘরে হানা একদল দুষ্কৃতীর! মুহূর্তের মধ্যে তছনছ সবকিছু। স্বামীকে মারতে মারতে ঘরের বাইরে বের করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ। তারপর গলায় ছুরি ঠেকিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি! অভিযোগ, পাঁচ দুষ্কৃতী মিলে ধর্ষণ (Gangrape) করে ওই বধূকে। বারুইপুরের পর এবার সুভাষগ্রাম! ফের নারী নির্যাতনের অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।
জানা গিয়েছে, ওই দম্পতি আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন সপরিবারে। কিন্তু সেই বাড়িতেই রাতের অন্ধকারে নেমে আসে আতঙ্ক! অভিযোগ, মাঝরাতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী জোর করে ঘরে ঢুকে পড়ে। কোনও কথা না বলেই শুরু হয় তাণ্ডব। মহিলার স্বামীকে বেধড়ক মারধর করতে করতে বাড়ির বাইরে নিয়ে যায় তারা। এরপর ঘরে একা পেয়ে ওই বধূর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে অভিযুক্তরা। অভিযোগ, গলায় ছুরি ঠেকিয়ে খুনের হুমকি দিয়ে চলে যৌন নির্যাতন। পাঁচজন মিলে তাঁকে ধর্ষণ (Gangrape) করে বলে অভিযোগ নির্যাতিতার।
ঘটনাটি সোনারপুর থানার রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সুভাষগ্রামের। শনিবার পুলিশের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে সোনারপুর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, রাতের অন্ধকারে এমন দুঃসাহস কীভাবে দেখাল অভিযুক্তরা? আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেও যদি এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়, তাহলে নিরাপত্তা কোথায়?
বারুইপুরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সোনারপুরে গণধর্ষণের (Gangrape) অভিযোগ। পরপর এমন ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায়। আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। এখন পুলিশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, পলাতক অভিযুক্তদের খুঁজে বের করা এবং অভিযোগের প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে দ্রুত তদন্ত শেষ করা।
এক রাতের ভয়াবহ অভিযোগে কেঁপে উঠেছে সুভাষগ্রাম। এবার পুলিশের তদন্তে সামনে আসে কী? সেই দিকেই নজর গোটা এলাকার।


