Aaj India desk, কলকাতা: প্রতিবার একটা করে ঘূর্ণিঝড় হয়, আর তছনছ হয়ে যায় সুন্দরবন (Sundarban)। গভীর নিম্নচাপ এর ক্ষেত্র ব্যাপারটা একই। সন্দেশখালি সাগর দ্বীপে কদিন আগেই নদী বাঁধে বড়সড় ফাটল দেখা যায়। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে তা মেরামত করতে হয়। সুন্দরবনের ঘোড়ামারা দ্বীপের অধিকাংশই এখন জলের তলায়। বাসিন্দারা জলবায়ু উদ্বাস্তু হয়ে গেছেন। এই অবস্থায় আবার একটি অতি গভীর নিম্নচাপ। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন সাগরদ্বীপ ঘোড়ামারা সন্দেশখালি গোসাবা মৌসুনি দ্বীপের মানুষরা।
সরকার কি ব্যবস্থা নিচ্ছে ?
সুন্দরবনের (Sundarban)কুলতলি, ঝড়খালি, গোসাবা, বাসন্তী এবং ক্যানিং থানার পক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নদী তীরবর্তী গ্রামগুলিতে পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা অনবরত মাইকে প্রচার চালাচ্ছেন। কাঁচা বাড়ি এবং নিচু এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে বা ফ্লাড শেল্টারে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে ও নদীতে যাওয়ার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যারা ইতিমধ্যেই গভীর সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের দ্রুত উপকূলে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সুন্দরবনের দুর্বল সমুদ্রবাঁধ ও নদীবাঁধগুলির ওপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে। মৌসুনি, ঘোড়ামারা, পাথরপ্রতিমা এবং ফ্রেজারগঞ্জের মতো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দ্বীপগুলিতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
বর্তমানে কি অবস্থা ?
গতকাল রাত থেকেই সুন্দরবনের (Sundarban)বিভিন্ন জায়গায় ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে সাথে বৃষ্টি।রাতভর একটানা ভারী বৃষ্টির কারণে সুন্দরবনের নিচু এলাকার বিঘার পর বিঘা আমন ধানের ক্ষেত জলের তলায় চলে গেছে। কৃষকদের আশঙ্কা, আজ সারাদিন জল জমে থাকলে চারাগাছ নষ্ট হতে পারে। উপকূলের বহু মিষ্টি জলের পুকুর ও মাছের ভেরি বৃষ্টির জলে পূর্ণ হয়ে গেছে। কিছু নিচু জায়গায় ভেরির জল উপচে মাছ বেরিয়ে যাওয়ার খবর আসছে। গত বছরও এই সময় ভয়ানক বৃষ্টিতে চাষের ক্ষতি হয়েছিল। এ বছরও তেমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে।


