Aaj India desk, উত্তর ২৪ পরগনা: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপি বারবার যুবসমাজকে চাকরি দেওয়ার কথা বলেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের অসংখ্য শূন্যপদ খালি পড়ে থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের ভোট বৈতরণী পার হওয়ার সংকল্পপত্রে রাজ্যের সমস্ত সরকারি শূন্য পদে স্বচ্ছ নিয়োগের অঙ্গীকার করেছে তারা। কিন্তু বাস্তবিক যুব সমাজকে নিয়ে তাদের পরিকল্পনা কি? ধন্দ বাড়ল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর( Narendra Modi)কথায়।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (west bengal assembly election) দ্বিতীয় দফার প্রচারপর্বে আজ উত্তর ২৪ পরগণায়ার সীমান্তবর্তী এলাকা বনগাঁয় জনসভা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। মতুয়াগড় বলে পরিচিত ঠাকুরনগরের এই নির্বাচনী জনসভা থেকে তিনি বলেন,” বাংলার যুবক- যুবতীরা অত্যন্ত প্রতিভাবান এবং সৃজনশীল। রাজ্যের তৃণমূল সরকার তাদের নেশায় ডুবিয়ে রেখেছে। আমাদের বাংলা হবে ‘সৃজনশীলতার রাজা’… বিজেপি বাংলার যুবকদের সৃজনশীলতাকে শক্তি দেবে। আজকাল বাংলার ছেলেমেয়েদের মিউজিক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর প্রশংসা পাচ্ছে… আমিও কিছু রিল দেখেছি। এটা স্পষ্ট যে: যাঁরা ‘ঝাল মুড়ি’তে বিরক্ত হন, তাঁরা যুবকদের সৃজনশীলতা পছন্দ করেন না। কিন্তু বিজেপি এই কমলা অর্থনীতি এবং কনটেন্ট তৈরিকেই বাংলার শক্তিতে পরিণত করবে।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সমাজ মাধ্যম এবং রিল সংস্কৃতি এই মুহূর্তে যুবসমাজের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয়, এবং তা খুব সহজেই অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের কয়েকমাস আগে কয়েকজন নেটপ্রভাবী বিজেপির হয়ে সুক্ষ্ম প্রচার চালাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছিল। আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) গলায় শোনা গেল রিলসংস্কৃতি এবং কন্টেন্ট তৈরির কথা। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে অতীতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন ভারীশিল্পের পরিবর্তে চপ শিল্পের নিদান দিয়েছিলেন তেমনই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) কি কর্মসংস্কৃতির বদলে রিল সংস্কৃতিকেই বেছে নিলেন। পশ্চিমবঙ্গের বেকার যুবক যুবতীরা কি চাকরির বদলে কেবল ভাতাজীবী হয়ে রিল বানাবেন ? নাকি সবটাই নতুন ভোটারদের আকর্ষণ করার কৌশল? উঠছে প্রশ্ন।


