Aaj India desk, কলকাতা: (NEET) পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে উত্তাল হয়েছিল সারা দেশ। কখন জনতা পার্টির প্রতিবাদে শামিল হন শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বাধ্য হন ইস্তফা দিতে। সেই ঘটনার রেশ এখনো কাটেনি। প্রশ্ন ফাঁস ছাড়াও পরীক্ষায় নানারকম অনিয়ম ছিল তাদের দাবিতে। এরমধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে দুই NEET শিক্ষার্থী মামলা দায়ের করেন। তাদের দাবি ছিল এন টি এ তাদের নাম্বার কম দিয়েছে।
মামলাটি কি ছিল?
(NEET) পরীক্ষা হবার পরে দুই শিক্ষার্থী রূপশা গঙ্গোপাধ্যায় এবং শ্রীজা মহান্তি কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। দাবি করেছিলেন যে NTA তাঁদের প্রাপ্ত নম্বরে ব্যাপক হেরফের করেছে। কিন্তু হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা রায়ের পর্যবেক্ষণ তারা জালিয়াতি করেছেন। শুনানির সময় এনটিএ-র জমা দেওয়া রিপোর্টে প্রমাণিত হয় সেটা। দেখা যায় পরীক্ষার্থীরা আদালতে নকল ওএমআর শিট পেশ করেছিলেন। একজন পরীক্ষার্থী তিনটে আলাদা আলাদা ও এম আর শিট জমা দেন। এমনকি ২০২৫ সালের ও এম আর শিট দেখা যায় জমা পড়েছে। এনটিএ আদালতে জানায়, পরীক্ষার্থীদের একটি অংশ জেনেশুনেই এই কাজ করেছে।
আদালত কি ব্যবস্থা নিচ্ছে ?
(NEET) পরীক্ষা নিয়ে এই প্রতারণার পায়ে দুই ছাত্রীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বিচারপতি অমৃতা সিনহা সমস্ত মামলাগুলি খারিজ করে দিয়েছেন। অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আগামী ৩ বছর তাঁদের পরীক্ষায় বসা নিষিদ্ধ করা হবে বলে এনটিএ জানিয়েছে। এর পাশাপাশি অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে ‘পাবলিক এগজামিনেশনস অ্যাক্ট, ২০২৪’-এর আওতায় তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও ফৌজদারি পদক্ষেপ (Criminal Action) নেওয়া হবে।


