Aaj India Desk, কলকাতা: এক দিনের ব্যবধানে ফের বোমার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ ছড়াল কলকাতা বিমানবন্দরে (Netaji Subhas Chandra Bose International Airport)। শুক্রবার বিমানবন্দরের ২৩ নম্বর গেটে টিস্যু পেপারে হুমকির বার্তা মিলেছিল। শনিবার আবার ফুকেট থেকে কলকাতায় আসা ইন্ডিগোর (IndiGo) একটি বিমানের শৌচালয়ের আয়নায় লিপস্টিক দিয়ে লেখা বোমার হুমকি সামনে এল। পরপর দু’দিনের এই ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
শৌচালয়ের আয়নায় লেখা হুমকি, তৎপরতা বিমানবন্দরে
শনিবার দুপুর ২টো নাগাদ ফুকেট থেকে আসা বিমানটি কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছয়। যাত্রীরা নেমে যাওয়ার পর বিমান পরীক্ষা করার সময় কেবিন ক্রুদের নজরে আসে শৌচালয়ের আয়নায় লেখা একটি বার্তা। তাতে বিমানে বোমা থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই নিরাপত্তারক্ষীদের সতর্ক করা হয়। যাত্রীদের নামিয়ে বিমানটিকে আইসোলেশন বে-তে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর শুরু হয় তল্লাশি।
ডগ স্কোয়াড নিয়ে তল্লাশি
ঘটনার গুরুত্ব বুঝে মাঠে নামেন কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর (CISF) কর্মীরা। সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কা মাথায় রেখে বিমানের বিভিন্ন অংশ পরীক্ষা করা হচ্ছে। তল্লাশি অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে পুলিশ কুকুরও। তবে বিমানে কোনও বিস্ফোরক পাওয়া গিয়েছে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।
শুক্রবারও এসেছিল হুমকি, কোথায় মিলেছিল বার্তা?
এর আগে শুক্রবার সকাল ৮টা ৫৫ মিনিট নাগাদ বিমানবন্দরের ২৩ নম্বর গেটে একটি টিস্যু পেপার নজরে আসে সাফাইকর্মীদের। তাতে বোমা রাখার কথা লেখার পাশাপাশি CISF-কে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। খবর পেয়েই ওই এলাকা খালি করে তল্লাশি শুরু করেন নিরাপত্তাকর্মীরা। নামানো হয় CISF-এর ডগ স্কোয়াড ও বম্ব স্কোয়াড।
দু’দিনে দু’টি পৃথক জায়গায় হুমকির বার্তা মেলায় ঘটনাগুলির মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। একই সঙ্গে এই বার্তাগুলির পিছনে কারা রয়েছে, সেটাও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে হুমকির সত্যতা কিংবা সম্ভাব্য অভিযুক্তদের বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়।


