32 C
Kolkata
Friday, May 22, 2026
spot_img

‘১৯ পেয়েও বিডিও!’ WBCS পরীক্ষা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুললেন বিজেপি বিধায়ক

Aaj India Desk, কলকাতা: তৃণমূলের (TMC) আমলে WBCS নিয়োগ নিয়েও এবার প্রশ্ন তুললেন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিজেপি (BJP) বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় (Shikha Chatterjee)। ফলতার প্রাক্তন বিডিও (BDO) শানু বক্সিকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এবার তাঁর নিশানায় প্রাক্তন বিডিও প্রশান্ত বর্মন (Prashanta Barman)। বিধায়কের দাবি, পঞ্চায়েতের তিন স্তরে দায়িত্বে থাকাকালীন ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ২০১৬ সালের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষাতেও গলদ ছিল। শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “খুব কম নম্বর পেয়েও কীভাবে কেউ বিডিও পদে চাকরি পেল? মাত্র ১৯ পেয়েও কেউ বিডিও হয়েছেন শুনেছি। তা খতিয়ে দেখা উচিত।” এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তদন্তের আবেদন জানানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে শুধু ভোটে অনিয়মের অভিযোগই নয়, অস্বাভাবিক সম্পত্তি বৃদ্ধির অভিযোগও তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁর প্রশ্ন, সরকারি চাকরির বেতনে এত সম্পত্তি কীভাবে তৈরি হল? একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী মহলের আশীর্বাদ থাকায় এতদিন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

জানা গিয়েছে, প্রথমে কালচিনির বিডিও হিসেবে কাজ করেন প্রশান্ত বর্মন। পরে তাঁকে রাজগঞ্জে বদলি করা হয়। রাজগঞ্জে কর্মরত অবস্থায় সল্টলেকের দত্তাবাদের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় তাঁর নাম জড়ায় বলে অভিযোগ ওঠে। তবে পরে চার্জশিট থেকে তাঁর নাম উধাও হয়ে যায়। সেই ঘটনায় তদন্তকারী অফিসার বদল নিয়েও রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

তিনি আরও বলছেন, “তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদ ছিল বলেই প্রশান্ত বর্মন এতদিন ধরে দুর্নীতি করে গিয়েছেন।” তাঁর অভিযোগ, “একজন সোনার ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় নাম জড়ানোর পরেও তিনি দিব্যি নীলবাতি গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন। একজন বিডিওর বেতন কতই বা হতে পারে? তাহলে এত বিপুল সম্পত্তির উৎস কোথায়?” এই পুরো বিষয়টি নিয়ে ফের সরব হয়েছেন শিখা চট্টোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা উচিত।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন