কলকাতা: ভোটের ময়দানে বিতর্কে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)। শুক্রবার বারুইপুরের সভা থেকে “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে দেশবিরোধী স্লোগান এবং অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে”, বলে দাবী করেন প্রধানমন্ত্রী। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বাম শিবির। তবে ২০২৫-এর NIRF র্যাঙ্কে দেশের সব পাবলিক ইউনিভার্সিটির মধ্যে প্রথম স্থানে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে বিজেপির কটাক্ষের পালা হয়ত সবে শুরু।
এবার নরেন্দ্র মোদীর সুরেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপির দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষ। শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, “একসময় যাদবপুর ভালো ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেখানে দেশবিরোধী কার্যকলাপের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।” উদাহরণস্বরূপ তাঁর কথায় উঠে আসে বাবুল সুপ্রিয়র নাম। দিলীপ ঘোষ বলেন, “ক্যাম্পাসটি কার্যত “অসভ্যতা তৈরির কেন্দ্র” হয়ে উঠেছে। বাবুল সুপ্রিয় বা রাজ্যপালের সঙ্গে যে ধরনের আচরণ হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। আমরা সেখানে “সার্জিক্যাল স্ট্রাইক” করেছিলাম! সেটিও যেন কেউ ভুলে না যায়।”
কি বলেন মমতা?
গতকাল অর্থাৎ, শুক্রবার নরেন্দ্র মোদীর যাদবপুর (Jadavpur University) নিয়ে মন্তব্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গর্ব এবং দেশের যুবসমাজের জন্যও এটি গর্বের বিষয়। এটি দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি। এখানে প্রতিবাদকে নৈরাজ্য হিসেবে দেখা ঠিক নয়, কারণ ছাত্র-যুবদের গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে মত প্রকাশ ও প্রতিবাদের।”
পাশাপাশি CPIM-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তথা বর্ষীয়ান নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “ছাত্রসমাজকে যেভাবে নিন্দা করেছেন, সেটা চূড়ান্ত নিকৃষ্ট। এই ঘটনা চূড়ান্ত নিন্দনীয়।” এক্সের পোস্টে সুজন চক্রবর্তী লেখেন, “ছাত্ররা প্রশ্ন করবে এটাই স্বাভাবিক। হোল পলিটিকাল সায়েন্সে জাল ডিগ্রি যার তিনি তা বুঝবেন কি?” সুজন আরও লেখেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারীদের যোগ্যতা প্রমানে মোদিজীর সার্টিফিকেটের প্রয়োজন পড়ে নি।”


