Aaj India Desk, কোচবিহার : মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার কোচবিহারে গিয়ে মদন মোহন মন্দিরে পুজো দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন নিশীথ প্রামাণিক। মন্দিরে পুজোর পর জেলার উন্নয়ন নিয়ে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই উঠে আসে কোচবিহারে বিমানবন্দরের (Cooch Behar Airport) প্রসঙ্গ। কেন্দ্রীয় অসামরিক পরিবহণ মন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, কোচবিহারকে ঘিরে সরকারের পরিকল্পনায় বিমানবন্দরও রয়েছে।
বিমানবন্দর নিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
কোচবিহারে বিমানবন্দর (Cooch Behar Airport) থাকলেও সেটির পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক পরিষেবা এখনও চালু হয়নি। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, কোচবিহার বিমানবন্দরের পরিষেবা চালুর প্রক্রিয়া চলছে। উত্তরবঙ্গে বর্তমানে বাগডোগরাই প্রধান কার্যকর বিমানবন্দরগুলির একটি।
এই পরিস্থিতিতে কোচবিহারে বিমান পরিষেবা নিয়ে নিজের সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “কেন্দ্রীয় অসামরিক পরিবহণ মন্ত্রীর সঙ্গে কিছু আলোচনা করেছি। এতে কোচবিহার থাকছে।” অর্থাৎ, কোচবিহারের বিমান পরিষেবা ও বিমানবন্দর পরিকাঠামো নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর বক্তব্যে নির্দিষ্ট সময়সীমা বা প্রকল্পের বিস্তারিত ঘোষণা করা হয়নি।
‘এক বছর সময় দিতে হবে’
এর পরেই কোচবিহারের সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে নিজের সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ৯ মে শপথ নেওয়ার পর আগামী ৯ মে ২০২৭ পর্যন্ত তাঁর সরকারকে কাজ করার সময় দিতে হবে। শুভেন্দুর বক্তব্য, “আমি ৯ মে শপথ নিয়েছি। আমায় ৯ মে ২০২৭ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ ১ বছর সময় দিতে হবে।” (Cooch Behar Airport)
উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে কোচবিহারে জোর
উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের বিভিন্ন কাজের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ওই দফতরের কাজের বড় অংশই কোচবিহার জেলার জন্য করা হয়েছে। তিনি বলেন, “উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের যে কাজ হচ্ছে দেখবেন তাতে অধিকাংশই আমরা কোচবিহার জেলার জন্য করেছি। এর বাইরেও কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ আমরা এই জেলার জন্য করছি।”
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর প্রথম কোচবিহার সফরকে ঘিরে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও ছিল জোরদার। মদন মোহন মন্দিরে পুজোর পর রবীন্দ্র ভবনে প্রশাসনিক বৈঠকে জেলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করার কর্মসূচি ছিল। কোচবিহার সফরের পর উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়ে আশাবাদী বাসিন্দারা।


