32.3 C
Kolkata
Tuesday, September 22, 2026
spot_img

ভোটের আগে জেলে মিলন প্রধান! হাইকোর্টেও কেন মিলল না অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ?

Aaj India Desk, কলকাতা: জেলেই রয়েছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান (Milan Pradhan)। তাঁর করা রক্ষাকবচের আবেদনে মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court) কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি। আদালতে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, মিলনের বিরুদ্ধে থাকা ১১টি মামলার মধ্যে ইতিমধ্যেই ৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আরও একটি মামলায় তিনি অভিযুক্ত নন বলেও আদালতকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে এখনই তাঁর আবেদনে আলাদা করে কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। আগামী ১২ অক্টোবর প্রয়োজন অনুযায়ী মামলাটি ফের শুনতে পারে আদালত।

প্রায় দুই দশক পুরনো একাধিক ফৌজদারি মামলার জেরে গত শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর সোমবার দুটি পৃথক আদালতের নির্দেশে তাঁর জেল হেফাজত হয়। হলদিয়া জেল থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ওইদিন আদালতের শুনানিতে অংশ নেন তিনি।

হলদিয়া এবং নন্দীগ্রাম থানায় দায়ের হওয়া পুরনো মামলাগুলির শুনানি শেষে তাঁকে ৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি খেজুরি থানার একটি মামলায় কাঁথি মহকুমা আদালত আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর মিলন প্রধানকে সশরীরে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছে।

মিলনকে গ্রেফতারের সময় নিয়েও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে জানানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চণ্ডীপুরের একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর হলদিয়া আদালত তাঁকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠিয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম থানায় নতুন করে আরও একটি মামলা হওয়ায় তাঁর আইনি পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

মিলন প্রধানের গ্রেফতারি নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে কংগ্রেস (Congress)। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের অভিযোগ, গ্রেফতারের আগে মিলনকে চোখে কাপড় বেঁধে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য তাঁর উপর চাপ তৈরি করা হয়েছিল। কংগ্রেস নেতৃত্বের আরও দাবি, মিলনের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির তথ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে দেওয়া হলফনামায় আগেই উল্লেখ করা হয়েছিল। কোনও মামলার তথ্য গোপন করা হয়নি বলেও দাবি তাদের। তাহলে প্রায় ২০ বছর আগের মামলাগুলি নিয়ে ভোটের মুখে হঠাৎ এত তৎপরতা কেন, সেই প্রশ্নই তুলছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাদের বক্তব্য, চাপ বা প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি হলেও নির্বাচনী লড়াই থেকে পিছিয়ে যাবে না কংগ্রেস।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন