Aaj India Desk, উত্তর ২৪ পরগণা : ১৫ মিনিট, সময়ের হিসেবে হয়তো খুব সামান্য। কিন্তু সেই ১৫ মিনিটের ব্যবধানই বদলে দিল বসিরহাটের এক শিক্ষক দম্পতির নেপাল-যাত্রার গোটা গল্প। নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়কে হারিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে রক্ষা পেলেন বাঙালি দম্পতি। (Basirhat Couple)
১৫ মিনিটেই বদলে গেল যাত্রাপথ
বসিরহাট পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাছারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা প্রাক্তন স্কুল শিক্ষক অনুকূল পোদ্দার ও তাঁর স্ত্রী রেবা পোদ্দার বেড়াতে গিয়েছিলেন নেপালে। ভিসা সংক্রান্ত কাজে দেরি হওয়ায় নির্ধারিত গাড়িটি তাঁরা সময়মতো ধরতে পারেননি। পরিবারের দাবি, প্রায় ১৫ মিনিট পরে তাঁরা অন্য একটি গাড়িতে ওঠেন। এর পরেই নেপালের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের খবর সামনে আসে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাঁদের গাড়ির যাত্রাপথও পরিবর্তন করা হয়। (Basirhat Couple)
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় বাড়িতে উদ্বেগ
বিপর্যয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অনুকূল ও রেবার সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রিয়জনদের কোনও খবর না পেয়ে উদ্বেগে পড়েন পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা। বেশ কিছু সময় পর অবশেষে ফোনে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় বলে জানিয়েছে পরিবার। ফোনে অনুকূল ও রেবা জানান, তাঁরা বড় বিপদের মধ্যে পড়লেও বর্তমানে নিরাপদে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে থাকা অন্য সদস্যরাও নিরাপদে রয়েছেন বলে পরিবার সূত্রে খবর। (Basirhat Couple)
পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানেই হয়তো বদলে গিয়েছে গোটা পরিস্থিতি। নির্দিষ্ট গাড়িতে উঠতে না পারায় অন্য গাড়িতে ওঠেন অনুকূল ও রেবা। পরে সেই গাড়ির পথও পরিবর্তন করা হয়। বর্তমানে দ্রুত দেশে ফেরার চেষ্টা করছেন অনুকূল ও রেবা। পরিবার জানিয়েছে, শনিবার সকালে তাঁদের ট্রেনে ওঠার কথা রয়েছে।
ইতিমধ্যেই নেপালে আটকে পড়া রাজ্যের বাসিন্দাদের ফিরিয়ে আনতে রাজ্য সরকারের তরফে বিমানে ফেরানোর উদ্যোগের কথাও জানানো হয়েছে। ফলে শেষ পর্যন্ত শিক্ষক দম্পতি ট্রেনে ফিরবেন, নাকি সরকারি ব্যবস্থায় বিমানে দেশে ফিরবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।


