Aaj India desk, কলকাতা: চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটল কলকাতাতে। অনুযায়ী বড়সড় নাশকতার ছক কষা হচ্ছিল কলকাতার বাঁশদ্রোনি এলাকায় বসে। কলকাতা পুলিশের সমাজ মাধ্যম থেকে পাওয়া খবর বলছে এমনটাই। তবে বর্তমান সরকার কোনরকম সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আপোস করবে না। তারপরেও বাঁশদ্রোনি এলাকা থেকে অস্ত্র (arms) পাওয়া গেল। তবে সূত্রের মাধ্যমে খবর পেয়ে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কি ঘটেছে?
এদিন কলকাতা পুলিশ তাদের সমাজ মাধ্যমে জানায়, “সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে, কলকাতা পুলিশ বাঁশদ্রোণী থানার আওতাধীন এলাকা থেকে কলকাতার নিরঞ্জন পল্লীর বাসিন্দা সত্যব্রত বসু রায়কে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে। অভিযান চলাকালে তার ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে দুটি দেশীয় সেমি-অটোমেটিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং চারটি তাজা কার্তুজ (arms) উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। এ ব্যাপারে বাঁশদ্রোণী থানায় অস্ত্র আইনে একটি নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। আরও তদন্ত চলছে।”কীভাবে ওই যুবকের কাছে এই অস্ত্র এল এবং এর পিছনে কোনও বেআইনি অস্ত্র পাচার চক্র জড়িত রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
সরকারের ভূমিকা ?
ভোটের আগেও কলকাতায় স্ট্র্যান্ড রোডে বিপুল অস্ত্র (arms) উদ্ধার হয়েছিল বিহারের বাসিন্দা এক নাবালকের কাছ থেকে। পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয় তার কাছ থেকে। এর মধ্যে দু’টি সাত এমএম পিস্তল ছিল। পাওয়া যায় ৪০টি কার্তুজ। এরপরে সরকার বদলে যায়। বর্তমান বিজেপি সরকার এই বিষয়ে খুবই কড়া। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরে হিংসার ঘটনার মামলা আবার খুলে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, দলের কোনো কর্মী বা সমর্থক রাজনৈতিক হিংসায় জড়িত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। পাশাপাশি সন্ত্রাস মোকাবিলায় জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে তারা। তারপরেও বারবার অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার ঘটনা ঘটছে।


