Aaj India desk, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ (chandranath murder case) খুন হন শপথ গ্রহনের ঠিক আগে। তাঁর মৃত্যুতে সিবিআই তদন্ত চান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাথমিকভাবে সন্দেহের তির ছিল তাঁদের দিকে। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবিকেই মানলো শুভেন্দু অধিকারীর রাজ্য পুলিশ। চন্দ্রনাথের খুনের তদন্ত করতে সিবিআইএর নাম সুপারিশ করল তারা। আজ মঙ্গলবার তাদের হাত থেকে তদন্তের দায়িত্বভার গ্রহণ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
সিবিআই কি জানিয়েছে ?
সিবিআই বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এই তদন্তের (chandranath murder case) জন্যবিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হবে। কলকাতা এলাকার যুগ্ম নির্দেশকের অধীনে কাজ করবে সেই দল।সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা এলাকা থেকেই অফিসার সিটে নিয়োগ করবেন যুগ্ম নির্দেশক। তদন্তের জন্য যে রকম প্রয়োজন হবে, সে রকম ভাবেই অফিসার নিয়োগ করা হবে।
তদন্তের গতিপথ
এর আগে এই মামলার (chandranath murder case) তদন্ত করছিল এসটিএফ এবং রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি মিলে। এই মামলায় তারা ইতিমধ্যেই তিন জনকে উত্তর প্রদেশ থেকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম ময়ঙ্করাজ মিশ্র, ভিকি মৌর্য এবং রাজ সিংহ। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের মধ্যে পেশাদার ‘শুটার’ও রয়েছে। ধৃতদের ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। খুনে ব্যবহার হওয়া গাড়িটি ঝাড়খণ্ড থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের ধারণা। ওই গাড়ি থেকে অনলাইনে টাকা পাঠানো হয়েছিল। সেই সূত্র ধরে অভিযুক্তদের খোঁজ শুরু হয়। রাজ্য পুলিশের বক্তব্য প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে, ডিজিট্যাল ট্র্যাকিং এবং অন্যান্য সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে ধরা হয়েছে তিন খুনিকে। এ বার সেই ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই। প্রশ্ন উঠছে রাজ্যের তদন্তকারী দল ভালো কাজ করা সত্ত্বেও কেন তাদের হাত থেকে দায়িত্ব সরিয়ে সিবিআইকে আনা হচ্ছে? এই প্রসঙ্গে উঠে আসছে আর জি কর মামলার কথাও। সিবিআই সেখানে কেবল পুলিশের তদন্তকেই মান্যতা দিয়েছিল। চন্দ্রনাথ খুনের (chandranath murder case) মামলাও সেরকম হবে না তো? উঠছে প্রশ্ন।


