কলকাতা: ইভিএমে কারচুপি, বুথ জ্যামিং এবং ভোট প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ সহ একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে ফলতা, মগরাহাট ও ডায়মন্ড হারবারে পুনর্নির্বাচনের (Re-Polling) দাবী জানিয়েছিল বিজেপি। যার মধ্যে শুক্রবার নির্দেশিকা জারি করে শনিবার ডায়মন্ড হারবার ও মগরাহাটের মোট ১৫ টি বুথে পুনর্নির্বাচন হলেও ফলতা নিয়ে অনিশ্চয়তা বিদ্যমান। এই আবহে ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন (Re-Polling) প্রসঙ্গে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করলেন বিজেপির দাপুটে নেতা অর্জুন সিং (Arjun Singh)।
X Link: https://x.com/PTI_News/status/2050458977457340601
শনিবার সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি বলেন, “পুনর্নির্বাচনের জন্য সেই বুথে ধরনের কোনো অশান্তি অথবা নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত প্রিজাইডিং অফিসারকে প্রভাবিত করার ঘটনা হতে হয়। ভোট চলাকালীন যেখানেই এমন অনিয়ম ঘটছে, সব জায়গার ক্ষেত্রেই এই কথা প্রযোজ্য।” এরপর অর্জুন সিং বলেন, “সবার আগে প্রিজাইডিং অফিসারকেই জেলে ভরা উচিৎ। তাতেই স্পষ্ট বার্তা প্রতিষ্ঠিত হবে। যে বা যারা কোনো অপকর্মে লিপ্ত হবে, তাদের শেষ ঠিকানা হবে কারাগার।” অর্জুন সিং (Arjun Singh)-এর এই মন্তব্যে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
ফলতা নিয়ে অনিশ্চয়তা
উল্লেখ্য, আগামী ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল। তার আগে শনিবার মগরাহাট ও ডায়মন্ড হারবারের ১৫ টি বুথে পুনর্নির্বাচন (Re-Polling) হলেও ফলতা কেন্দ্র নিয়ে এখনই কিছু জানায়নি নির্বাচন কমিশন। বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয় যে কিছু বুথে তাদের প্রতীকের সামনে টেপ লাগিয়ে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে ফলতা এলাকায় একাধিক ইভিএমের বোতামে টেপ লাগানো ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
ফলতার আরও প্রায় ৩০টি বুথে পুনর্ভোটের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি নির্বাচন কমিশন। রিপোর্ট জমা পড়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, যদি প্রমাণিত হয় যে ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা বিঘ্নিত হয়েছে, তবেই সংশ্লিষ্ট বুথগুলিতে পুনর্ভোটের (Re-Polling) নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।


