মুর্শিদাবাদ: প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই হাইভোল্টেজ ড্রামার সাক্ষী থেকেছে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর। ফারাক্কা, শামশেরগঞ্জ, সুতি, রঘুনাথগঞ্জ, জঙ্গিপুর এবং সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম স্ট্রংরুম করা হয়েছে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজকে। শুক্রবার রাত ১০ টা নাগাদ সেখানেই সিসিটিভি ক্যামেরা পরিদর্শনে গিয়ে অভিযোগ তোলেন বায়রন (Byron Biswas)।
প্রথমে সিসিটিভি ক্যামেরার পর্যবেক্ষণকারী স্ক্রিন না থাকার এবং পরে শনিবার ভোর ৪ টে নাগাদ দলবল নিয়ে গিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরা মাঝেমধ্যেই বন্ধ হওয়ার অভিযোগে তুমুল বিক্ষোভ দেখান তিনি। জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজের গেটের বাইরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের রীতিমত হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যায় তাঁকে (Byron Biswas)। এরপর সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমি আমার বিধানসভায় হারছি। জঙ্গিপুর, সামশেরগঞ্জ, ফারাক্কা-তেও হারছে”!
ফলাফলের আগেই সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীর এই মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই ঝড় ওঠে। সেইসঙ্গে ‘দলবদলু’ ইতিহাস থাকায় বায়রন বিশ্বাসকে নিয়ে সন্দেহও দানা বাঁধতে শুরু করে। এই আবহে সুর বদলালেন বায়রন (Byron Biswas)। এবার নতুন একটি ভিডিও বার্তায় বয়ান পাল্টে তিনি বললেন, “হাইপার হয়ে গিয়েছিলাম”।
বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে জল্পনার মধ্যেই নতুন ভিডিওতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বায়রন। তিনি জানান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য, ভয় পেয়ে তিনি পিছু হটেননি। তাঁর কথায়, ‘আমি লড়েছি, লড়ে যাব।’ বায়রন আরও বলেন, ‘হাইপার হয়ে কিছু কথা বলেছিলাম।’ পাশাপাশি ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ‘তৃণমূল ২০০-র বেশি আসন পাবে’, বলেও দাবী করলেন তিনি।


