কলকাতা: জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে স্ট্রংরুমের (Strong Room) সিসিটিভি ক্যামেরায় গলদ অভিযোগে শবিবার ভোরে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি করেন সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস। সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন তিনি। কলেজের গেটের বাইরে থেকে ‘এটা টেকনিক্যাল ফল্ট নয়, দিল্লি ফল্ট’ বলে চিৎকার করতে থাকেন বায়রন। তবে শুধু জঙ্গিপুর না। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধরা পড়েছে স্ট্রংরুমের বাইরের উত্তেজনার দৃশ্য।
সূত্রের খবর, শুক্রবার রাতে মেদিনীপুর কলেজের বাইরে তৃণমূল-বিজেপি স্লোগান পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তৃণমূল কর্মীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের পাল্টা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের বেশ কিছু সিসিটিভি ক্যামেরা কাজ করছে না। এছাড়াও কোচবিহার থেকেও স্ট্রংরুম (Strong Room) নিয়ে অভিযোগ সামনে আসে।
জানা গিয়েছে, কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজে তৈরি করা স্ট্রংরুমের (Strong Room) বেশ কিছু সিসিটিভি ক্যামেরা বিকল বলে অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রায় ৫ টি সিসিটিভি ক্যামেরা বেশ অনেক্ষণ বিকল ছিল বলে অভিযোগ সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, “সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণকারী স্ক্রিনে অনেক সময় ক্যামেরা বন্ধ দেখাচ্ছে।”
শুক্রবার বেলা ১২ টা থেকে এই ঘটনা ঘটেছে বলেন তৃণমূল প্রার্থী। সেইসঙ্গে ইভিএম করচুপির সন্দেহও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তিনি। অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, “এখন ইভিএম, স্ট্রংরুমে (Strong Room) ঢুকে ট্যাম্পারিং করা ছাড়া বিজেপির কাছে কোনও উপায় নেই। কেননা উত্তরবঙ্গের ফলাফল তারা বুঝতেই পারছে”।
এইসব অভিযোগ নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল বলেন, বিষয়গুলিকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলিকে শান্ত থাকা এবং আদর্শ আচরণবিধি পালনের পরামর্শ দেন তিনি।


