মুর্শিদাবাদ: বিছিন্ন কিছু ঝামেলা, অশান্তি, ইভিএম গণ্ডগোলের অভিযোগ সামনে এলেও মোটের উপর শান্তিপূর্ণই ছিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। খোদ নির্বাচন কমিশনও এমনটাই ঘোষণা করেছিল। এখন দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতি তুঙ্গে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন আপাতভাবে নিরবিগ্নে হলেও অন্দরে চলে অন্য গল্প। যেখানে উল্লেখযোগ্যভাবে উঠে আসে মুর্শিদাবাদের নাম। এবার সেই মুর্শিদাবাদেরই এক অত্যন্ত পরিচিত নেতা বায়রন বিশ্বাস (Byron Biswas) উঠে এলেন সংবাদ শিরোনামে।
বস্তুত, ফারাক্কা, শামশেরগঞ্জ, সুতি, রঘুনাথগঞ্জ, জঙ্গিপুর এবং সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম স্ট্রংরুম করা হয়েছে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজকে। শনিবার ভরের আলো ফুটতেই সেখানে পৌঁছে গেলেন সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস (Byron Biswas) । কিন্তু কেন?
স্ট্রংরুমের বাইরে বায়রন…
সূত্রের খবর, এদিন ভোরবেলা জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে স্ট্রংরুমের বাইরে অশান্তি শুরু করেন বায়রন বিশ্বাস (Byron Biswas) । তাঁর অভিযোগ, গতকাল অর্থাৎ শুক্রবারও রাত ১০ টা নাগাদ স্ট্রংরুম পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে নাকি সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও ছিল না কোনও স্ক্রিন। এরপ জঙ্গিপুর মহকুমা আধিকারিকরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণের স্ক্রিন বসিয়ে দেন। শুক্রবার রাতে এই পর্যন্ত মিটে যায় সব।
এরপর ঘটে গণ্ডগোল
বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস (Byron Biswas) তাতেও আশ্বস্ত হননি। তাঁর দাবী, রাতে নাকি দফায় দফায় স্ট্রংরুমের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। রাত জট বাড়ে ঘন্টায় ঘন্টায় নাকি কিছুক্ষণের জন্য বদনহ হয়ে যায় সিসিটিভি ক্যামেরা। এই দাবী নিয়ে শনিবার ভোর ৪ টেয় ফের জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে যান তিনি। নির্বাচনী আচরণ বিধি কার্যত ভঙ্গ করে স্ট্রং রুমে ঢোকার চেষ্টা করতে থাকেন তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও কর্মরত পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে বেঁধে যায় ধুন্ধুমার! সদলবলে স্ট্রং রুমে ঢোকার জন্য অশান্তি করতে থাকেন বায়রন (Byron Biswas), বলে অভিযোগ। পরে আধিকারিকদের কঠোর পদক্ষেপে এল্কা ছাড়তে বাধ্য হন বায়রন।


