কলকাতা: শেষ হল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ (West Bengal Assembly Election 2026)। বিকেল ৫ টার মধ্যেই ভোট পড়ে ৯০%-এর বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে প্রথম দফার হারের উপর অনেকটাই নির্ভর করে ফলাফল। হাওয়া আদপে কোনদিকে বইছে তা-ও ইতিমধ্যেই আন্দাজ করার চেষ্টা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। যদিও এই নজিরবিহীন ভোটদানের হারকে স্বাভাবিকভাবেই নিজের নিজের ঘরের ‘লাভ’ হিসেবে দেখছে বাংলার প্রায় সব রাজনৈতিক দল।
বিকেলের দিকেই বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবী করেন ১৫২-এর মধ্যে ১২৫ টিই যাবে বিজেপি ঝুলিতে। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবী করেছেন, এসআইআরে নাম বাদ পরা মানুষদের হয়ে ‘লড়াই’ করেছেন বলেই এই বিপুল পরিমাণ মানুষ ভোটদানে (West Bengal Assembly Election 2026) এগিয়ে এসেছেন। তাঁদের ভোটারাধিকার রক্ষার লরাই-এর ফলাফল এই রেকর্ড ভোটদানের হার।
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী তথা বর্ষীয়ান নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, “আমার কোনও অভিযোগ নেই। আমি সন্তুষ্ট। নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা প্রাপ্য”।
পাশাপাশি সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, “বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ ছাড়া, ভোটগ্রহণ (West Bengal Assembly Election 2026) প্রক্রিয়া সামগ্রিকভাবে শান্তিপূর্ণই ছিল। তবে সব মিলিয়ে, নির্বাচন কমিশনের ত্রুটিগুলো দৃশ্যমান”। আবার কৃষ্ণনগরের জনসভা থেকে সুর চড়িয়ে নরেন্দ্র মোদী বলেন, ৪ মে বিজয়োৎসব হবে। মিষ্টির সঙ্গে থাকবে ঝালমুড়ি, বলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত এই অঙ্কে কার পাল্লা ভারী, যবনিকা পতন হবে ৪ মে।


