মুর্শিদাবাদ: বেলা বারোটার আগেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) একাধিক এলাকায় দফায় দফায় উত্তেজনা। ভোটের দিন অশান্তির ঘটনার তালিকার শীর্ষে ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদ। হুমায়ুন কবির (Humayun Kabir) ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির কর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের হাতাহাতিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের নওদা। বুথের সামনে একে ওপরের দিকে তেড়ে যান তৃণমূল ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির কর্মীরা।
তৃণমূলের তরফে অভিযোগ, তাঁদের প্রার্থী শাহিনা মমতাজকে লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়েছেন হুমায়ুন কবিরের আম জনতা পার্টির কর্মীরা। এই ঘটনায় ভোট দিতে গেলে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চিফ হুমায়ুন কবির। তাঁকে দেখে ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা।
বিক্ষভকারীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন হুমায়ুন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ ছুটে আসেন। কিন্তু নিরাপত্তা রক্ষীদের সামনেই ব্যাপক অশান্তি চলত থাকে। এমনকি কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠি কেড়ে নেন এক বিক্ষোভকারী। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিনশিম খেটে থাকেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ কর্মকর্তারা। তবে দু-পক্ষের সংঘর্ষ বন্ধ করতে সক্ষম হন তাঁরা। এরপর হুমায়ুন কবিরকে রাস্তায় বসে পড়তে দেখা যায়। তিনি বলতে থাকেন, ‘এর শেষ দেখে ছাড়ব’!
অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুরের ৬৮ নম্বর বুথে স্লো ভোটিং-এর অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি, ডোমকলে বাম সমর্থকদের ভোট দিতে বাধা, ভয় দেখানোর অভিযোগ ওঠে। এমনকি তৃণমূল ও বাম সমর্থকদের মধ্যেও সংঘর্ষের ছবি ধরা পড়ে কোনও কোনও জায়গায়। ইতিমধ্যেই নওদার ঘটনায় বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। বলা বাহুল্য, বেলা জোট বাড়ছে, সীমান্তবর্তী জেলা মুর্শিদাবাদে উত্তেজনাও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে।


