Aaj lndia Desk, কলকাতা: বুলগেরিয়ার সেই রহস্যময়ী নারী বাবা ভাঙ্গা (Baba Bhanga), যাঁকে ‘বলকানের নস্ত্রাদামুস’ বলা হয়, তাঁর এক ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে এখন সাধারণ মানুষের ঘুম উড়েছে। সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে বালকান অঞ্চলের বিখ্যাত ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গার ২০২৬ সালের ভবিষ্যদ্বাণী।
দাবি করা হচ্ছে, আগামী বছর পৃথিবীতে একটি মহাপ্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে ভূমিকম্প, সুনামি এবং আগ্নেয়গিরির উদ্গীরণ। বিশেষ করে এশিয়া ও ভারতের বিভিন্ন অংশ এই পরিস্থিতিতে বেশি প্রভাবিত হতে পারে।
পাশাপাশি বিশ্ব রাজনীতি ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও উগ্র পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এতে রয়েছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কাও, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিয়ন্ত্রণ হারানো এবং এমনকি এলিয়েন আগমনের সম্ভাবনা।
এদিকে ,ভূতত্ত্ববিদরা সতর্ক করে জানাচ্ছেন, নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে ভূমিকম্প বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস দেওয়া বিজ্ঞানসম্মত নয়। বাবা ভাঙ্গার (Baba Bhanga) এই বিশেষ ২০২৬ সালের ভবিষ্যদ্বাণীর প্রামাণিক সূত্র নেই, যা সামাজিক মাধ্যমে ইতি মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ওয়েস্ট বেঙ্গল সীমান্তে ৫.৪-৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এছাড়া সিকিম, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, উত্তরাখণ্ড সহ অন্যান্য অঞ্চলেও ছোট ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে। ভূতত্ত্ববিদরা বলছেন, এগুলো সাধারণ সিসমিক কার্যকলাপ, কোনো মহা দুর্যোগের ইঙ্গিত নয়।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি , ভবিষ্যদ্বাণী বা গুজবের উপর নির্ভর না করে সিসমিক ঝুঁকি ও দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। পাশাপশি এও বলেন বাবা ভাঙ্গার (Baba Bhanga) কোনও লিখিত দলিল নেই। তাঁর অনেক কথাই মুখে মুখে প্রচারিত হয়ে ফুলিয়ে – ফাঁপিয়ে বলা হয়। তাই অযথা আতঙ্কিত না হয়ে দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।


