Aaj India Desk, নয়াদিল্লি: জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) অন্দরে একাধিক বিষয়ে মতপার্থক্য নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে, তখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) উত্তরপ্রদেশ সফর স্থগিত হওয়াকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মিরাট এবং বারাণসীতে তরুণ ভোটার ও ‘জেনারেশন-জি’ (Gen-Z)-র সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য দুটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল জ্ঞানেশ কুমারের।
‘ইলেক্টোরাল লিটারেসি ক্লাব’-এর উদ্যোগে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে তাঁর উপস্থিত থাকার কথা ছিল। শুক্রবার মিরাটে তরুণ ভোটারদের সঙ্গে বৈঠক এবং আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর বারাণসীতে একই ধরনের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে দুটি সফরই স্থগিত করা হয়। এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশীর একাধিক লিখিত আপত্তির খবর সামনে আসায় সফর স্থগিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তবে এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র নেই বলে স্পষ্ট করেছে নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, জ্ঞানেশ কুমারের সফর পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ২১ সেপ্টেম্বরই নেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদেরও বিষয়টি জানানো হয়েছিল। ফলে সাম্প্রতিক কোনও বিতর্ক বা কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যের কারণে সফর স্থগিত করা হয়নি বলেই কমিশনের দাবি।
কমিশনের ব্যাখ্যা, অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য নির্ধারিত জায়গা, শীর্ষ আধিকারিকদের ব্যস্ততা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয় বিবেচনা করেই তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানে কোনও কর্মসূচির সময়সূচি পরিবর্তন হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
পাশাপাশি কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি বহু-সদস্যের সংস্থা। তাই বিভিন্ন বিষয়ে অভ্যন্তরীণ নোট, মতামত বা প্রশ্নের আদান-প্রদান কমিশনের স্বাভাবিক কাজের অংশ। এসআইআর সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও আইন মেনে এবং সর্বসম্মতভাবেই নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে নির্বাচন কমিশন।


