Aaj india desk, কলকাতা: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) নিয়ে চিন্তা শেষ হচ্ছে না। ঠিক কোন মাপকাঠিতে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার মিলবে তা বুঝতে পারছেন না কেউই। এর সাথে বিজেপির ছোট বড় নেতারা নানা দাবি করছেন। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন বিজেপিকে যারা ভোট দেননি, তারা টাকা পাবেন না। ফলে চিন্তা বাড়ছে বই কমছে না। এর মধ্যেই আবার বেফাঁস মুখ খুললেন বিজেপির এক নেতা। সবমিলিয়ে রাজ্যের মহিলারা বেশ অতিষ্ঠ। বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তারা। কিন্তু বিজেপি সরকার তা নিয়ে ভাবিত নয়।
কি বললেন ওই নেতা?
মালদহের কলাইবাড়িতে অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Bhandar) নিয়ে বক্তৃতা করছিলেন বিজেপির জেলা পরিষদের সদস্য তারাশঙ্কর রায়। সেখানকার বাসিন্দাদের উদ্দেশে তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘‘বিজেপি সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নেবেন, তার পরেও এই সরকারের বদনাম করবেন, এটা চলবে না।যাঁরা যাঁরা অন্নপূর্ণা পেয়েছেন, তার পরেও সরকারের নামে বদনাম করছেন, যাঁরা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার জন্য নাম তুলেছেন, তাঁরাও সরকারের নামে বদনাম করছেন। আমি তাঁদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, সাবধান হয়ে যান বন্ধু! নামটা ওঠানোর যদি ক্ষমতা রাখতে পারি, নামটা কেটে দেওয়ার ক্ষমতাও আমরা রাখতে পারি।সরকারের খাব, সরকারের সুযোগ-সুবিধা নেব, আর সরকারের নামে চায়ের দোকানে, মিষ্টির দোকানে বদনাম করব— এ সব যদি আমার কানে আসে, কী ভাবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর পান এবং কী করে অন্নপূর্ণার টাকা পরের মাস থেকে পান, তার ব্যবস্থা করব।”
সত্যি কি মিলবে না টাকা ?
অন্নপূর্ণা ভান্ডারের (Annapurna Bhandar)তিন হাজার টাকার প্রতিশ্রুতি বহু মানুষকে বিজেপির হয়ে দিতে উৎসাহ দিয়েছিল। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে সেই টাকা পেতে হয়রানি। বিজেপি নেতা তারাশঙ্করের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার আটকে দেওয়ার হুমকি, মানুষকে আরও বিরক্ত করেছে। তবে প্রশ্ন হল আদৌ কি এইভাবে কারো টাকা আটকানো যায়? যে কেউ হুমকি দিলেই টাকা আটকে যাবে এমনটা কখনোই নয়। তবে রাজনৈতিক মহলের দাবি বাক স্বাধীনতাকে দমন করার এ আরেক পন্থা।


