দক্ষিণ ২৪ পরগণা: সপ্তাহের প্রথম দিন বারুইপুরে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য! বারুইপুরের উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ায় বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিকের মৃত্যুতে তোলপাড় এলাকা! নিহত বিজেপি কর্মীর (BJP Leader) পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে এনে বাপির উপর নৃশংস হামলা চালানো হয়! কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কে?
পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক কারণে ঘরছাড়া থাকার পর সম্প্রতি এলাকায় ফিরে দোকান খুলেছিলেন বাপি (BJP Leader)। রবিবার রাতে একটি ফোন পাওয়ার পর তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এরপর মাঝরাস্তায় তাঁকে লাঠি, রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
তবে এই খুনের ঘটনায় অভিযোগের তির শুধু তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকেই নয়, দলেরই এক স্থানীয় বিজেপি নেতা (BJP Leader) সুজন মণ্ডলের নামও উঠে এসেছে! অন্য এক স্থানীয় বিজেপি কর্মী বাদল মণ্ডলের অভিযোগ, হামলার আগে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এবং কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তাঁর দাবি, দলের নেতা সুজন মণ্ডল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন এবং সেই ঘটনার প্রতিবাদ করায় বাপিকে (BJP Leader) খুন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি, এমনকি ফাঁসির দাবিও তুলেছেন স্থানীয়রা।
তবে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ভিন্ন ছবি সামনে এসেছে। পুলিশের বক্তব্য, একটি পুজো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ ও মারামারির ঘটনায় গুরুতর আহত হন বাপি প্রামাণিক। সেই সংঘর্ষের জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।
নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে। ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
উল্লেখ্য, বিজেপি নেতা (BJP Leader) সুজন মণ্ডলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনও তদন্তাধীন; এ বিষয়ে আদালত বা পুলিশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।


